মহাত্মা গান্ধী জাতির জনক না আমাদের বাপু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মহাত্মা গান্ধী জাতির জনক না আমাদের বাপু লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯

সম্পাদকীয় কলম,,,, সুপ্রীতি বর্মন


মহাত্মা গান্ধী (চতুর্থ ঘাত),,,,,

এক আগুন প্রজন্মের কচিকাচা ফিনিক্স পাখি সবে উড়তে শিখেছে শাখাপ্রশাখা তেমন একটা পাকাপোক্ত হয়নি তবুও বিহঙ্গের বিষ হাড় হিম উচ্ছন্নে স্বভাবদোষে জাপটিয়ে ডানা উড়তে চায় বাঁধাধরা গন্ডী ছেড়ে,,,, মুখে চোখে তার অগ্নিভাষণ,,,, কোন কথাই সহ্য হয়না পারদের উর্ধ্বগতির চাপে তার ফটাফট উত্তর প্রেরণ,,,, দিতে জানে ভালো করে ঘষে মুখে তাদের ঝামা,,,  

যখন চারপাশে এই পার্থিব জগতের আগাছা জঞ্জালের অষ্টপ্রহর যাতনায় তাকে হতাশার ঝরাপাতা করে চেপে ধরতে লাগে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে,,,,
এই নষ্ট পচনশীল সভ্যতা যা ভয়ে দু পা পিছিয়ে সঙ্কোচনশীলতায় গুটিয়ে কাপুরুষের মোটা গন্ডারের চামড়া গায়ে সেটাকে অহিংসার নাম দিয়ে মোটা নাকে একটা নোটিশ ঝোলাতে থাকে মুখে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চুপ চুপ করো বলে,,, তখন সেই ফিনিক্স পাখি দিনে রাতে তার মগজে গুজে গুজে অবসাদের জীবাশ্ম কঠিন পাথরে বা স্তরীভূত শিলায় দ্রোহের উচ্চারণ শিখতে থাকে আর উত্থিত লাভার স্রোতের মতন উদ্গিরণ করতে থাকে,,  তাতে আশেপাশে গুমোট দশা কেবল ছাই হয়ে যাবার উপক্রম সেই উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার দাবানলে,,,, তখন সকলে মিলে তাকে চুপ করিয়ে দিতে উদ্যত হয়ে ওঠে,,,, বলে অহিংস হ‌ও,,,,চুপ করো,,, তুমি কিন্তু প্রচন্ড ভুল করছো,,,,, লক্ষণসীমা ডিঙিয়ে আজ পর্যন্ত কিন্তু গৃহস্থের শুধু অমঙ্গল হয়েছে,,,, তাই অপেক্ষা করো,,,,

কিন্তু চাক্ষুষ তার প্রতিহিংসাপরায়ণ সত্য বা ফলশ্রুতি সে দেখতে পায়,,,,, যে মিথ্যা তখন ঝলসে যেতে শুরু করে দিয়েছে,,  আর দুর্বলচিত্ত অসংগতির মিথ্যা খোলসে মুখোশে দুঃশাসন অত্যাচারীরা অবচেতনে ভাঙা শিরদাঁড়া নিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে পালাতে উদ্যত হয়েছে,,,, ভূমি ছেড়ে পলাতক নপুংসক,,,, তবে তুমিই কী হবে জনক আগামী প্রজন্মের,,,,


উদ্ভট উটের পিঠে হেলতে দুলতে চলতে থাকা জনগনমন,,,, কোথায় জনক তোমার,,, আছে না তাকে শুধু রেখেছো দর্শনে মনন তার ঘোলাটে বোধ অপসারণ,,,, সৌন্দর্য দেখতে দেখাতে কিন্তু নিতে নয়,,,, তাইতো চোখে সেই অগ্নিপ্রজন্মের ফিনিক্স পাখির জেগেছিল বিধ্বংসী আগুন,,,,ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল সেই মিথ্যাচারে অধ্যুষিত প্রতিষ্ঠিত কাঞ্চনমূল্যের জগত কে।  পরিবর্তে আনতে চেয়েছিল প্রতিশ্রুতিশীল স্বচ্ছ নির্মল ভারত নাগরিকত্ব,,,,, আমাদের সার্বভৌম অধিকার,,,

কারণ এমন প্রতিশ্রুতিশীল আগুন লেলিহান ভীষণ প্রয়োজন এখন
প্রতিটি মহান সৃষ্টির আগে নষ্টকে ধ্বংস করা জরুরী যখন।

সম্পাদকীয় কলম,,,, সুপ্রীতি বর্মন


মহাত্মা গান্ধী (তৃতীয় ঘাত),,,,

সমালোচক যখন বিষ কামড় দেয় তার উদ্ভট বিশ্লেষণী আত্মসমালোচনার আড়ি দিয়ে কাটতে থাকে তোমার সমৃদ্ধির রসালো খেজুর গাছের গুড়ি,,, তখন নিশ্চয়ই অহর্নিশি নিজের কীর্তি হারিয়ে ফেলার ভয়ে হীনম্মন্যতায় ভুগে তাকে বিরুদ্ধাচরণ করে কেটেকুটে তাকে সরিয়ে উহ্য করে দিতে কী যেন প্রকট ইচ্ছা হয় তোমার কেমন করে,,, তখন তুমি কী সেই দুর্বলতা কে পাথেয় করে ভঙ্গুর এই জীবনশৈলীর পথকে আরো জঙ্গম করে তুলবে,,,, না আপোষ করে তাকে না মেনে নিয়ে এড়িয়ে যাবে সেই বোধহয় ভালো,,,, তাতে বলা যায় ধরি মাছ না ছুঁই পানি,,,,, আমার তো তাহলে আজকের মতন কাজ শেষ হবে তোমাকে গুরুচণ্ডালী দোষে উহ্য করে মুহ্যবাক্যলাপে না অহিংস আত্মস্থ উপলব্ধি তেই হয়তো সকল ক্ষোভের ক্ষুধা মেটানো যাবে স্বরচিত এই কৌশলে,,,,

স্বদেশপ্রীতি যেন আজো ঐ চশমা পড়া মুরুব্বির দীর্ঘায়িত ভ্রুজটায়ুর আগলে রাখা ঐশ্বর্য দেশমা,,,, তাই হিংস্র রাবণের অসির আঘাতে ভেঙে পড়ে কেটে যায় বা ছেঁটে যায় উড়তে পারার ইচ্ছার ডানা,,,, খুব করে তোমার ডানা গজিয়েছিল তাই না স্বাধীনতার,,,,,
এবারে তবে মুড়িয়ে কেটে দেওয়াই ভালো,,, কারন অহিংস তো আমাদের ধৈর্য ধরতে ও সংযমী অভ্যাসে গড়ে পিঠে নেবে,,,  কারণ অভাগার বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না,,,,

সম্পাদকীয় কলম,,,,সুপ্রীতি বর্মন


মহাত্মা গান্ধী (দ্বিতীয় ঘাত),,,,


অস্ফুট সংলাপ যখন ভাসা ভাসা চাহিদার মুহ্যমান কোরকে কিশোরী মুখ লুকায় দোচালার আটপৌরে গেরস্থালির উঠোনে তখন ঝনঝন অনাসক্তির পিতৃত্বের সাইকেলের ঘন্টা তোমার বেকারের দশার অনিশ্চিত ঘুম ভাঙানোর ঠেকা নিয়েছে কী,,,, তোমার জনক,,, ঐ যে মূল্য না অপচয়ে স্বদেশপ্রীতির অমূল্য চেতনা,,, মহাত্মা গান্ধী উনি তো জাতির জনক তবুও কেমন যেন নীরব দর্শক হাহাকার বুকে চেপে মুখ টিপে হাসে আর গড়গড়িয়ে নাগরিকত্বের অগ্রগতির ঋণে শুধোয় সকলে দিনের শেষে দেখা হলে পথে ঘাটে,,, কেমন আছো,,, ভালো তো,,,,, জানি তো সকলেই বোদ্ধা,,,, সব জানে তবুও কিছুই জানে না,,, সবকটা ধর্মের ষাঁড় খালি সুযোগ পেলেই অহিংসা কে টিস্যু পেপারের মতন হাত মুছে হিংসার ভোগে পাত ফেলে চেটেপুটে খেতে উদ্যত হয়ে যায়,,,, ও তাহলে তো মহাত্মা তোমার মাহাত্ম্য এখন বারণ স্মরণ করা,,,, ঘন্টা বেজে গেছে গৃহযুদ্ধের,,,, শকুনের ইতিউতি চাউনি কখন ঠোকর মেরে তোমার অন্তর্দৃষ্টি গিলে খেয়ে তোমাকে অন্ধচৈতন্যে অন্তর্দহনে ভোগাবে,,, তখন তোমাকে কে উদ্ধার করবে শুনি,,, আমার অতো সময় নেই বাপু ঐ টাকাটা যাতে তুমি সেই কবে থেকে বন্দিশ টেনে অভাব আর আভিজাত্য এর বাঘবন্দি খেলায় আধিপত্য বিস্তার করে চেপে বসে আছো,,, তোমাকে টেনে তুলে ওখান থেকে সরানো জগদ্দল এর সামিল,,, নতুন শিলান্যাস না না রূপান্তর না হলেও চলবে,,, ঐ একটু আডজাস্ট তো করতেই হবে অভাগীর সংসারে না হলে যে গাঁড় ফেটে যাবে,,, তখন কে কৈফিয়ত দেবে বাপু শুনি,,,, কে দেবে তৈরী হ‌ওয়া সম্পদ ভাঙানোর সুখ থেকে বঞ্চিত করে পুনর্বাসন ক্ষতিপূরণের জন্য,,,,,


ব্রেক কষে মাজাঘষা জীবনে হোঁচট খেতে খেতে চলতে গিয়ে মাথার চুল সব উড়ে গেছে সংসারের সংসদের চাপে কী কী বিল পাশ করবে না অপেক্ষায় থাকবে কখন সুদিন আসবে আর ভোলে বাবা পার করে দেবে,,,,, তবুও ফাটাফাটা লাইফ থেমে যায় কিছুতেই সিডিউল হয়না,,, তবুও দেখি দিনের শেষে তোমার মুখে কী দারুণ নির্মল অমলিন হাসি,,,, আত্মবিশ্বাস এ এতটুকু বিষ জমা হয়নি সিঁদুর কৌটো উপুড় করা গেরস্থালির সোহাগে,,,,,
উৎপাত তো শুরু হয়ে যাবে নাভিকুন্ডের জলে,,, উতরোল অসুখী উন্মাদনা কাল কী জুটবে খাদ্য আগামী দিনে জঠোরের উপোসি জ্বালা উপশমে না ঢাকে কাঠি পড়বে আর বলবে ঐ দেখো পুজো এসে গেছে এসব অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে আর মাথা ঘামিও না,,,একটু ভোগ করে নাও বুঝলে,,,, কিন্তু সেই কৌশিকী কম্পনেও এতটুকু অমাবস্যার কালিমা লাগেনি সোহাগ চাঁদ বদন পূর্ণিমার মুখে,,, এখনো হাসছো আর জামা কাপড় পরিবর্তন করে নেবে না তুমি এই সীমিত পরিসরে,,,,, পুজো এসে গেছে তো নাহলে তো তুমি পূজার ট্রেন্ড হারিয়ে অপ্রচলিত হয়ে মুখ গুঁজে ঘরের কোণে বা স্বচ্ছল পকেটের কোণে লুকিয়ে বসে থাকবে,,,,, তবুও কোন চিন্তা নেই তোমার বাপু এই ভাইরাল হ‌ওয়া অস্বস্তিকর সীমানা ক্রসে ঢোক গিলে চলতে থাকে এই জনগনের ট্রামরেল উন্মার্গ এর পথে তোমাকে ছেড়ে,,,,,,

সম্পাদকীয় কলম,,,, সুপ্রীতি বর্মন


মহাত্মা গান্ধী,,,,(প্রথম ঘাত),,,,

(সামঞ্জস্যের সমীকরণ সূত্র),,,

সুপ্রীতি বর্মন,,,,,


৫০০ টাকার নোটে প্রতিমূর্তি তেলা টাক চকচকে চোখের উপর ভাঙা হাতল ভগ্ন হৃদয় জনগনের হাড় ক্যালানে হাসি মুখে গুঁজে বছরের পর বছর জাতির জনক তুমি বিকলাঙ্গ সভ্যতার এক এবং অদ্বিতীয় জনক। বিধ্বংসী আগ্নেয়গিরি চোখের ভেতর আর এক চোখ আত্মদর্শন ও বিচক্ষণতা মণিকোটরে অহিংসার শস্ত্র,,,,,


এই মেরো না মেরো না ওকে ছেড়ে দাও,,,,,
আমরা আজকে যেন এই অস্থির সময়ে আগাছার গোত্রনির্ণয় করতে বিশ্লেষণী তলোয়ারের উপর দিয়ে একা হেঁটে চলেছি,,,, আমরা তার বদলে আজ কিছুটা নিমকহারামি করি,,,, হারামজাদা হয়ে যার খাই তার থালায় বসে বসে চক্রবৎ মীনের আবর্তনে গড়বা নাচে গর্ত খুঁড়ি,,,,রমণীর রতিস্নিগ্ধ কোমর দুলিয়ে লুটিয়ে পড়ি তোমার পায়ে কারণ দিনের শেষে তোমাকেই তো হাতে লাঠি নিয়ে ছড়িদার পাহারাদার হয়ে শুষ্ক অস্থিচর্মসার দেহে হনহন পদাঙ্ক এ ছুটে যেতে হবে অশ্বদৌড়ে অস্তগামী সূর্য স্বাধীনতা খননে সত্যাগ্রহ অভিযানে,,,,,


তোমার মতন শাকমন্ড রসালো নিরামিষ ভোজন আমিশাশি লকলকে অজগর জিহ্বার মাংসভক্ষণে কখনোই পোষাবে না,,,, কি সব ছাইপাশ রাবিশ আবর্জনা পেটের গর্ত গোজাতালা এই প্লীজ এই তাহার চাবি কোনদিন তুমি উৎকণ্ঠা নিয়ে চিরুনি তল্লাশি করতে যেও না তাহলে ভাঁড়ার ঘরের অন্নপূর্ণা রাগ করবে বলবে হতচ্ছাড়া বুঝিস না এখনো যে তুই ছেলেমানুষ আছিস,,,, বোঝ বোঝ,,,  বোঝা না সামঞ্জস্য এর ঐকিক নিয়মের সমতা বিধান কাকডাকা ভোরে দীর্ঘায়িত দুশ্চিন্তা গলা টিপে ধরে বলে এই বয়স টা তো তোর কম হচ্ছে না,,, এবার ঊণকোটি চৌষট্টি সংসারের রতি কলা কামমুদ্রা ছেড়ে একটু দায়ের জাদু কি জাপ্পি ঘাড়ে চাপা,,,, মিষ্টি মিষ্টি ঐকতানের সুরে,,,, বাবু দে না দু আনা,,,, কিনে খাবো মিছরির দানা,,,,, তোমার দেওয়া নুনে পোড়া এক তরকারি ভাত,,,, নাগরিকত্ব,,, এর কোন বিকল্প সিভিলাইজেশন নেই,,,, আরে না একেবারে না,,, এসব ওসব ছাড়া ছাইপাশ ফ্যান্টাসি ভাবা,,, তুমি তো ভারি অদ্ভুত,,, এ জগতের কী তুমি বাসিন্দা ন‌ও,,,,
মগের মুলুকে একটু সামলে চলবো ধ্যাস্টামো ছেড়ে,,, না হলে বত্রিশ সিংহাসনের দাঁতকপাটি খুলে পড়ে যাবে,,,, তখন জনহিতের রাবড়ি হাঁড়ি চেঁছে খাবে কী করে চেটে পুটে নবশ্যামধর লাবণ্যে,,,,


দেখো দিকিনি হাড়ে দূর্বা গজানোর জন্য এসে গেছে এক তুখোড় ধুরন্ধর তিরন্দাজ,,, যখনি সময় পায় তখনি একটু সুযোগে ফাঁকফোকড়ে চুল ঝাঁকিয়ে লাফিয়ে পড়ে চ্যাঙড়া ব্যাঙ,,,, বলে আমি সবজান্তা পাকা লকলকে যেন কচুর লতি,,,, আমাদের পাতে তো মেন কোর্সের খাদ্য হিসেবে দেওয়াই চলে না,,, তবুও ক্রেতাদুরস্ত কমেন্টের চালে ঘাড় কামড়ায় আবার গায়ে পড়ে পায়ে পা লাগিয়ে শঙ্খলাগার ঘোরে "তুমি যে আমার" বলে পরম যত্নে আমাকে নিজের কুক্ষিগত তূণীর মধ্যে গচ্ছিত রাখতে চায় পরবর্তী ব্রহ্মাস্ত্র হিসাবে,,, যেন পরের ধনে পোদ্দারি,,,,


এখন যদি নেতাজীর মতন তোমাকে হিংস্র পরশুরামের শাপশাপান্ত কুড়ুলের ঘা এর শিরশিরানির ছোবল দিয়ে তোমাকে অক্কা দিই তাহলে তো তুমি বলবে আমাকে কোন স্বৈরাচারী আখ্যায় বিষাক্ত করে যে এটা আমার মুদ্রাদোষ,,,, কারণ আমি তো কক্ষনো তোমার অতিচেতনার গুহ্য অন্তরালে ঢুঁ মেরে নতুন কোন প্রেয়সীর আবেশের অন্দরমহল তৈরী করে উঠতে সম্পূর্ণ অপারগ,,,, তার থেকে বরং আপাতত একটু সরে থাকি ইঙ্গিতের অপভাষ্যে পথভ্রষ্ট না হয়ে সামঞ্জস্য বিধানের সমীকরণ তৈরী করি,,,, প্রশস্তি না করতে পারি প্রকাশ্যে তবুও অপ্রকাশ্য এ সকলের চোখে একটু সৌজন্য দেখিয়ে তারপর মানে মানে পালিয়ে শালীনতার বাঁধ বিনিময়ে রুখে দেওয়ার মতন চোখাচোখি বন্ধ করে দিই জন্মের মতন,,,,,,
মানিয়ে নেওয়া নিজের কোনরূপ ক্ষতিসাধন না করে দূরে থেকে তোমাকে অচ্ছুৎ দোষে আপৎকালীন প্রেক্ষাগৃহে সাজিয়ে রাখাই ভালো কারন তাতে সময়ের অপচয় বোধহয় অনেকটাই কম হয়,,,,