সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ(করবাচৌথ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ(করবাচৌথ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

এভাবেও শোয়া যায়: বিনয় মজুমদার

 


বিনয় মজুমদার,,,,, 


এভাবেও শোয়া যায়,,,,,, 


((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন

মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম

সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 

সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ

আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 

তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি

আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))



বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 


সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ ((করবাচৌথ)) 


সুপ্রীতি বর্মন


সদ্য সমাপ্ত রমণ কর্মের পর দুটি শঙ্খলাগা শরীর অঙ্গরাগে একে অপরে নির্ভার হয়ে কামকলামুদ্রায় শঙ্খধ্বনি শীৎকারে গর্জে ওঠে,,,,,, 

তন্দ্রাতুর কথোপকথনে সমান্তরাল কর্ষণে রতিযামে সন্নিলগ্ন দুটি শরীর মধ্য রাত্রির যবনিকা খোলা চুলের অরণ্যে শুয়ে থাকে,,,,,, 

মন্দিরের আটচালায় নির্জলা উপবাসে এখন লিঙ্গের অবসর যাপনের এ যেন কেমন করে এক সুকোমল কাল,,,,, 

নরম স্তনের ঊষর মরুভূমি তে স্নিগ্ধ আঙুলের অলস প্রণয় শীতঘুমে জড়াতে চায় দগ্ধ শরীর কে,,,,, 

অকস্মাৎ ঠাহর হয় তলদেশ থেকে নির্গত এই উচ্ছ্বসিত স্রোতস্বিনী,,,,

চুয়ে চুয়ে ভিজিয়ে দিতে লেগেছে প্রখর ধোঁয়া ওঠা রোদ্দুরে তৃষ্ণার্ত শরীর,,,,

যে শরীর অনেক আগেই অভিষিক্ত হয়ে গেছে সিঁদুরের লালে,,,,,,




প্রাগ্রসর উদগ্রীব হৃদয়: বিনয় মজুমদার


 

বিনয় মজুমদার,,,,,,


প্রাগ্রসর উদগ্রীব হৃদয়,,,,, 




((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন

মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম

সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 

সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ

আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 

তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি

আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))



বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 


সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ (করবাচৌথ)



সুপ্রীতি বর্মন



অভুক্ত শরীরীক্ষুধার যাপনে যখন কালরাত্রি নেমে আসে নাভিকুণ্ড ঘিরে তখন তুমি যেন করপুটে অঞ্জলি দিতে উদ্বিগ্ন ও লালায়িত হয়ে উঠো সকল লজ্জা পরিত্যাগ করে নিরাভরণ হয়ে আমার পদশৃঙ্খলের জোড়ে বিনম্র শির ঝুঁকিয়ে,,,,,

তোমার করপুটে আবেষ্টিত হয়ে আছে আমার সবচেয়ে বড় জাতক কিংবা ঐশ্বর্য অতি লোভনীয় সুমসৃণ মুন্ড যার লেহন তুমি শুরু করে দিলে,,,, 

যত চোষণের মাত্রা দ্বিগুণ ছন্দোবদ্ধ তালে বৃদ্ধি পেতে থাকে তত প্রাগ্রসর হয়ে উদগ্রীব হয়ে উঠে আমার হৃদয় শিহরিত হতে থাকে আমার কায়া,,,,,,

তোমার করপুটে আবেষ্টিত ঐ যাদুদন্ডে তখন তুমি সচল চর্মশিল্পের অনুশীলন করে যেতে থাকো একাগ্রচিত্তে,,,,, 

টানের পর টান কিংবা চামড়া ট্যান দেবার জন্য তোমার নিরলস প্রয়াস একবার উর্ধ্বগতি আর একবার নিম্নগতিতে হতেই থাকে,,,,

আমার হৃদয়কে আরো বেশী করে উদগ্রীব আর শরীর কে টালমাটাল করে দিতে থাকে,,,,,  

তোমার এই করে যাওয়া অহর্নিশি প্রয়াস,,,, 

তোমার পাকাপোক্ত কৌশলে ও নৈপুণ্যে বেশি করে যাদুদন্ড যেন রসের গাগরে ভারি হয়ে যেতে থাকে,,,,,, 



ওদিকে তোমার রূপে ও রসের আমন্ত্রণ এর নেশায় আর তুমি যেভাবে নিজের কলাবতী মুদ্রাযাপনে উত্তাল করে দিয়েছো আমায়,,,, আমিও তোমার উন্মুক্ত উষ্ণীষ রোমের মায়াজালে কাতর হয়ে বন্দী হয়ে একমনে চেটে যেতে থাকি ঘ্রাণময় বিভক্ত লেগুন,,,,

যেন কেমন এক অঘোরতান্ত্রিক তৃষ্ণা আমার কাটতেই চায় না কিছুতেই,,,, 

তাই চেটে যেতে থাকি অনর্গল নেশায় কোন এক তৃষ্ণার্ত সর্পের মতন,,,,



আমার তখন মতিভ্রম ঘটে যায় তোমার জাদুর ঘোরে যে আমার মনে হয় তোমার ঐ কুচনিপীড়নে লালাভ সুডৌল প্রবাল বলয় যেন সুগভীরে নেমে এসে ক্ষুদ্র সমুদ্র কে বিশাল করে দিয়েছে,,,,,, 

যাতে আমি জল খাচ্ছি ডুবছি উঠছি কিংবা থৈ না পেয়ে অকালপ্লাবনে ভাসতে বসেছি,,,,, আচ্ছা ঐটা কী তোমার সেই বাঁধানো জোড়া পলা রক্তিম সোহাগে আজ রক্তাক্ত আধিভৌতিক প্রবাল বলয় হয়ে বিবাহের চৌকসে নিয়মে আমাকে চুম্বনে চুম্বনে শ্বাসরুদ্ধ করে তুলতে লেগেছে,,,,



তাতে তোমার মতি বিপরীতে চলে যায়,,,, 

তুমি ক্রোধান্বিত হয়ে আমাকে ভুল বুঝে আমার মুখ দেখবে না বলে বিপরীত দিকে ঘুরে যাও,,,, 

কিন্তু কাঁটা কম্পাসের মতন জিওমেট্রি বক্সের আমার লক্ষ্যমাত্রা কিংবা গন্তব্যস্থান শুধু তুমি শুধু তোমাকেই কেন্দ্র করে,,,,, 

তাই আমি তোমার প্রতি রাগ বিদ্বেষ সব রূপরেখা পরিত্যাগে মৌখিক অনুরাগে প্রণয়িনীর স্ফীত নিতম্ব জড়িয়ে শুয়ে থাকি পেছন থেকে আর অবশ্য তুমিও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী ন‌ও,,,,,




প্রিয়তমা ত্রিশূলী পাহাড়: বিনয় মজুমদার


 

বিনয় মজুমদার,,,,,,


প্রিয়তমা ত্রিশূলীপাহাড়,,,,, 




((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন

মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম

সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 

সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ

আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 

তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি

আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))



বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 


সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ (করবাচৌথ)


সুপ্রীতি বর্মন





প্রিয়তমা তোমাকে মাঝে মধ্যে ত্রিশূলী পাহাড় বলে মনে হয় যার উত্তুঙ্গ চূড়া,,,,,

ইতিমধ্যে অকালবর্ষণ শুরু হয়ে গেছে,,,,, 

অরণ্যানী ঘন আগাছা মূলরোম কর্ষণে প্রায় সিক্ত বনের পথ,,,,, 

সেরকম স্নিগ্ধ ও বর্ষণসিক্ত অরণ্য তার গুপ্ত দৃঢ় কৃতাঞ্জলিপুটে চায় আমন্ত্রিত অতিথিকে,,, 

যাতে সে একটু স্থায়িত্ব কিংবা সংযমের কাঠিন্য পায় নিজের অস্তিত্ব কে সংরক্ষণ করার জন্য,,,, 



অন্যদিকে গিরিগুহা কিংবা গিরিখাত,,,,

কার পবিত্র অঞ্জলির নিষ্ঠীবন এ সিক্ত হয়ে গেছে যে তা অভ্যর্থনার জন্য উদগ্রীব হয়ে উন্মুখ ভাবে পথ চেয়ে বসে আছে সেই কবে থেকে,,,,,

এদিকে তখন মহাপ্রলয়ের নাচনে মহেশ্বর ক্ষিপ্র স্বামী সতীকে হারিয়ে ফেলার শোকে ও সন্ত্রাসে সবকিছু সৃষ্টি চিরকালের জন্য ধ্বংস করার উল্লাসে অশ্রুবর্ষণে গলাধঃকরণে প্রবল আঘাতে শেষে পাহাড় নাচাতে থাকে,,,, 

তাদের প্রণয় চিরকাল পিছল প্রণয়,,,,, 

ছন্দে ছন্দে নেচে যায় আর প্রণয় একটা সন্ধির মতন প্রাত্যহিক অঙ্গ উপাঙ্গে সন্ধির সমীকরণ এর মতন দৃঢ় বন্ধনে সন্নিলগ্ন হয়ে জুড়ে যায় জন্মের পর জন্ম,,,,, 



অবশেষে পিছল প্রণয়ের রসস্রাবের বর্ষণে সিক্ত ও তৃপ্ত গিরিখাতপথে দলে দলে বহির্গত কণা কণা তীর্থযাত্রী চলতে থাকে অন্তরের দিকে,,,, 

এই ঘন প্রেমের বর্ষণ নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ সৃষ্টির কারুকার্য বিমূর্ত ঈশ্বরীর একান্ত নিজের,,,, 

এর কোন বিকল্প কোনদিন ছিল না আর হবেও না,,,,




অনেক সুখের গল্প: বিনয় মজুমদার

 


বিনয় মজুমদার,,,,,


অনেক সুখের গল্প,,,,,, 



((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন

মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম

সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 

সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ

আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 

তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি

আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))



বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 


সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ ((করবাচৌথ)) 


সুপ্রীতি বর্মন





এক কিশোরী বালিকার মতন অবুঝ মনস্তত্ত্বে তুমি উঠতে চাইলে আমার উপরের দিকে প্রগাঢ় ইচ্ছার আবদারে ও জেদে পড়ে আমার নাগরদোলায়,,,,, 

আমি চাইলেই তোমাকে নিরন্তর বুঝিয়ে নিবৃত্ত করতে পারতাম কিন্তু সত্যিই জানো আমি তা মন থেকে চাইনি,,,,,

আমি চেয়েছিলাম তোমার ঐ দামাল দস্যিপনা উপভোগ করতে দর্শনের সুখ নিতে অনির্বচনীয় কীর্তিভেদে,,,,, 

তাই তোমার ইচ্ছার আবদার রাখতে শায়িত হলাম তোমার নীচে আর যাবতীয় কর্মভার দিলাম সাথে অধিকার আমার শরীরের তোমাকে,,,,,,

সব তোমার তুমি যা ইচ্ছা যেমন ইচ্ছে তেমন করো আমার কোন আপত্তি নেই,,,,,, 



দেখলাম তুমি কেমন অবুঝ শিশুর মতন সেই অতি দৃঢ় যাদুদন্ড মধুমাখা অতিকায় আঙুলের মতন যেন কোন ললিপপের মতন ক্রমাগত চুষে চলো আয়াসে চুষেই যেতে থাকো যেন আজ সেটার ক্ষয় হয়ে সকল রস শোষণ না করা পর্যন্ত তুমি থামবেই না,,,,, একবার যখন হাতের নাগালে পেয়েছো,,,, আর কী সেটা ছাড়তে চাও,,,,, 



হঠাৎ আমার দর্শন আগুনে ফাগুন হয়ে এক বিধ্বংসী অগ্ন্যুৎপাত এর প্রলয় নাচন হয়ে যায় কিন্তু তার দর্শন অধিকতর সুন্দর ও অনির্বচনীয়,,,,, 

তোমার রক্তযোনিপুট লালায়িত হয়ে রমণ‌উল্লাসে ঢেঁকির মতন মন্থনে উদগ্রীব হয়ে দ্রুতবেগে ক্রমাগত উঠে আর নামে,,,,, উর্বশীর ক্লান্তিহীন রমণনৃত্যে মিলনের দুরন্ত শ্বাস ও প্রশ্বাসের নিক্বণে লিপ্সাময় নীরব স্তনযুগল রাজোচিত আভূষণে সকল ভারবহনে শান্ত সমাহিত সমর্পণের অঙ্গীকারে নিজ কক্ষপথে দ্রুতবেগে একবার উঠে আর একবার নামে,,,,

উঠে আর নামে ক্লান্তিহীন ভাবে,,,,,, 

অনন্ত তার চলন ও গমন,,,, 



তখন স্পষ্ট দর্শনীয় যে এতক্ষণ ধরে যে দন্ডগাত্র নিপীড়িত কিংবা ঘর্ষিত হল সেই আর্ত দন্ডগাত্র আদৌ পীড়িত বা কষ্ট পায়নি বরং সে হাসতে লেগেছে পরম তৃপ্তির আনন্দে দিব্য ক্লেদে তার সর্বাঙ্গ আঠালো ও সিক্ত কিংবা রাগে ও অনুরাগের রসে মাখামাখি হয়ে গেছে,,,,,

কী পরম সুখ আত্মতৃপ্তি রমণ একান্ত নির্লিপ্ত ক্ষণ,,,,





প্রিয়তমা, তোমার আমার: বিনয় মজুমদার

 



বিনয় মজুমদার,,,,,

প্রিয়তমা, তোমার আমার,,,,, 



((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন
মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম
সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 
সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ
আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 
তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি
আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))


বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 

সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ ((করবাচৌথ)) 

সুপ্রীতি বর্মন



ঈশ্বরী আমি তোমার রাজ রাজেশ্বর,,,,, তোমার স্বামী,,,, 
তোমার ঐকান্তিক প্রিয় আবার তোমার কায়াকল্পের একান্ত অধীশ্বর,,,, 
তাই তোমার যাবতীয় চাওয়া পাওয়া আমাকে কেন্দ্র করে,,,,, 

তোমার আবদার ঐ প্রকান্ড এবং কোমল উত্তুঙ্গ তৃপ্তির স্বাদ চাও,,,, 
তোমার অতিষ্ঠ ঈপ্সা তোমাকে কিছুতেই শান্তি দিতে চায় না,,,, 
বক্ষের উপর চেপে বসা মহিষা পাহাড়ের যন্ত্রণায় তুমি কাতর হয়ে উঠো আর উদগ্রীব নয়নে কস্তুরী নাভি সুবাসে আমাকে সম্মোহিত করে বাধ্য করো বিব্রত করে তোলো,,,, 
যাতে আমি আরো বেশী করে চেষ্টা করি তোমাকে একটু সুখ দিতে,,,,,
কিন্তু ঈশ্বরী তোমাকেও তো মাঝে মধ্যে আমার পরিস্থিতি বুঝতে হবে,,,, 
দেখো আমি ও তো একজন মানুষ যে খুব একা,,,, 
পৃথক পৃথক ভাবে কর্তব্য সম্পন্ন করি একা,,,, কিছু কিছু যা পারি তাই তো দিয়ে থাকি আমি,,,,, 
তুমি কেন তাও বোঝো না বা বুঝতেই চাও না,,,,, 
কত কিছু করি দেখো একে একে মিলিয়ে সেই পরিসংখ্যান,,,,,, 
উত্তুঙ্গ চূড়া একযোগে করে চুম্বনমদ্যপান করতে থাকি আকন্ঠ পিপাসিত চরণে,,,,,
তৃষ্ণা যেন মিটতেই চায় না কিছুতেই,,,,, 
কিংবা তোমার প্রবালগুচ্ছের মাঝে আমার আঙুলের নিরিবিলি সন্ধানী আদরে যাতে তোমার শিহরণ জাগে আর পুলকরাগে উন্মাদিত হয়ে উঠে তোমার শরীর,,,, 
কিন্তু এ সবকিছুই যেন ব্যর্থ প্রয়াস,,,, 
কিছুতেই তোমার তৃপ্তি আসতে চায় না,,,, 
তুমি অশান্ত হয়েই থেকে যাও,,,, 


তারপর তুমি যখন সর্বংসহা হয়ে শায়িত হয়ে থাকো তোমার শরীরের অধীশ্বর করে আমাকে,,,,,,
নিজেকে আমার হাতে ছেড়ে দিয়ে,,,, 
তখন আমি পরম নিশ্চিন্তে ও নিরাপদ আশ্রয়ে তোমাকে রেখে তোমার কুচ নিপীড়ন থেকে শুরু করে একযোগে আরো প্রবল রমণে নাচি আনন্দ নৃত্যের দ্বৈত্যতায়,,,,, 
আমার মনে হয় তখন ঠিক তখনি সহসমীকরণের মতন প্রয়াসে প্রকৃতপক্ষে উচ্ছ্বসিত সমাধান আসে,,,, 
সাথে এক অনিন্দ্য সুন্দর চমকপ্লাবিত তৃপ্তি আসে,,,,, 
যেটা আমি একার উদ্যোগ ও চেষ্টায় যাই করি না কেন কিছুতেই আসতে চায় না সেই আত্মতৃপ্তি বোধ সেই সুখশান্তিসঙ্গম,,,, 
আর সেইকারণেই বোধহয় তুমি মন ক্ষুন্ন হয়ে থাকো তৃপ্তি পাও না কিছুতেই,,,,,



দুজনের অতি ব্যক্তিগত: বিনয় মজুমদার

 


বিনয় মজুমদার,,,,, 


কবিতা: দুজনের অতি ব্যক্তিগত,,,,,, 



((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন

মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম

সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 

সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ

আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 

তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি

আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))



বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 


সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ ((করবাচৌথ)) 


সুপ্রীতি বর্মন




যখন গ্রহের ফেরে ও কপালদোষে অপভ্রংশ হয়ে যায় জৈবিক চাহিদা ও জীবনযাপন বাধ্য হয় কঠোর হতে,,,,

তখন রূঢ় আলিঙ্গনে থেকে যায় শিথিল কোমলতার স্পর্শ সুখ,,,,,

পাঁজরগুলো দুশ্চিন্তার জটে পাকানো আত্মদহনের অগ্নিতে ভস্মীভূত হতে থেকে ধোঁয়ার সাথে তোমার ওষ্ঠে মিলিয়ে যেতে থাকে,,,,, 

তবে এক্ষেত্রে আমার নেশা কিছু আলাদা বৈচিত্র্যময় সঙ্গম তোমার সাথে আমার,,,, 



বিশ্বাস করো এই অনুরক্ত হয়ে যাওয়া তোমার,,,, 

আমার বুকে নির্ভয়ে শুয়ে রতিস্নিগ্ধ কবচে দিয়ে যেতে থাকো অবচ্ছিন্ন সঙ্গম,,,,

যদিও তা সম্ভব নয় দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হ‌ওয়া কারণ অবিশ্রান্ত লাঙলকর্ষণে ঘাম ঝরতে থাকে দেহে,,,,,

পুরুষালি সহ্য শক্তিতে ঘুণ ধরায় ক্লান্তি যা সুন্দর কন্ঠলগ্ন বিরতি টানে আলপথে,,,,,

তুমি যেন আরো বেশী আঁকড়ে ধরো আমায়,,,,, 



নিঃস্ব ও নিঃসঙ্গ যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যখন এই শীর্ণকায় শরীর লুকাতে লেগেছিল তোমার কোলের কাছে এই বোধে যে আমার আজ কিছু নেই,,,,, 

তখন আমার আশ্চর্য লাগে তোমার শিথিল কোমলতার মতন আমার বুকের উপর শুয়ে থাকা নির্ভার ও নির্ভয়ে যেন তোমার একমাত্র ঈশ্বর আমি শুধু আমি,,,,,

তখন সেই পরমার্থ জ্ঞান নিশ্চয়তা পেয়ে আমি আত্মতৃপ্তি পাই,,,, 



তখন কেমন করে যেন সকল বোধের ভিতর রতি রক্তিমতা দিয়ে প্রীতি বোধে আসক্তি জেগে উঠে,,,, 

অনীহার ঝুলে থাকা বিষাদের কালো মেঘ সরে গিয়ে সঙ্গমক্রিয়া সব কার্য সম্পাদন করে,,,,

আমরা শুধু অক্লেশে আত্মসমর্পণে তার কাছে হাতের পুতুল হয়ে আজমাইশ হতে থাকি,,,,,,




দ্বৈত পারিবারিকতা: বিনয় মজুমদার

 



বিনয় মজুমদার,,,,,, 

দ্বৈত পারিবারিকতা,,,, 


((নৈঃশব্দ্য সন্ধ্যা এলোকেশী ঈশ্বরী সঙ্গমচন্দ্রিমা চকোর মীনচক্রবৎ ঘূর্ণন
মধুমক্ষিকা জ্যোৎস্না রমণ সঙ্গম
সুধাযাপন নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা সঙ্গোপণ ঈশ্বরী 
সর্বান্তঃকরণে সমর্পণ ক্ষুধার নিত্যতা সূত্রে রাঙা সোহাগ অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত শোক চরণ
আশ্রয় নির্লিপ্ত যাপনে 
তোমার বক্ষের অনন্ত বিভাজিকায় আমার রাত্রি
আমার মণিকর্ণিকার ঘাট নোঙর ফেলার সংস্থাপন রতি))


বিশ্লেষণী প্রেক্ষাগৃহ 

সঙ্গমসৌন্দর্যচন্দ্র মোহ ((করবাচৌথ)) 

সুপ্রীতি বর্মন



কাকচক্ষু জ্যোৎস্না যখন নিঃসঙ্গ নিকষ অন্ধকার অমাবস্যার মতন বক্ষের মাঝে জগদ্দল পাথরের স্থবিরতার মতন চেপে বসতে থাকে,,,,,
তোমাকে কাছে না পেয়ে ছটফট করে আত্মহত্যার জটে পাকানো শিকড় কামড়ে ধরে তখন এই জীবনযাত্রা বহন অসহনীয় হয়ে যায় তার জন্য অন্তহীন সঙ্গমের প্রয়োজন,,,,, 
সকল জড়ত্ব ভেদ করে সরস আশ্বাস ও নিরাপত্তা বোধ নিয়ে আসতে যাতে করে অভিশপ্ত জীবন উপভোগ্য হয়,,,,, 


সেই কারণের জন্য অনেক ঋণ প্রয়োজন তোমাকে  নিজের করে কিছু দেওয়ার থেকে,,,, 
যাতে তুমি পরিশোধ করে দিতে চাও অতিষ্ঠ ঈপ্সা রেখে আমাকে আপ্যায়ন করে,,,,   
কিন্তু তুমি রূপে গুণে এক রমণমালিকা যেন এক অপরূপ ঐশ্বর্য চাঁদ,,,,
তাই তোমাকে হাতের মুঠোয় করে নিজের কাছে পেতে গেলে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সাধ্য সাধনার প্রয়োজন,,,,,, 
এই নীরব বিশ্ব অক্ষম সবকিছু নিষ্প্রয়োজন,,,,,,
শুধু তুমিই আমার একমাত্র যক্ষের ধন,,,, কোনকিছুর সাথে আমার প্রয়োজন নিছক অপ্রাসঙ্গিক এখন,,,,


তাই তোমাকে পুলকরাগে নিজের খুব কাছে যেচে পেতে চেয়ে উন্মাদিত করার প্রচেষ্টায় থাকি,,,, 
সব রকম সম্পদ দিয়ে তোমাকে উত্তাল করে রাখি,,,,, 
আমার শুধু একটাই চাহিদা কালঘাম ছোটানোর শেষে যে তুমি নিজে থেকে উদ্যোগ নিয়ে ও অতিষ্ঠ ঈপ্সায় প্রচন্ড ভয়াল করে ঠাপ নিতে চাও শুধু আমার কাছ থেকে,,,,, 


তখন বিনিসুতো শীর্ণশরীরী মালার এই প্রণয়ের গাঁটছোলায় তোমার চারপাশে প্রশান্তির শীতল আশ্বাসে বীর্যের আঠালো ঘ্রাণে এক মনোহরা তীব্র সঙ্গমের মদনোচ্ছ্বাসে মদ্যপের নৈশিল ঘোরের বাতাবরণ সৃষ্টি হবে,,,,, 
যা আমাকে শিথিল কোমলতা দিয়ে সঙ্গোপণে নিমজ্জিত করবে,,,,,
শুধু এইটুকুই আমার চাওয়া কিংবা পাওয়া বলতে পারো আর তো কিছুই চাই না আমি তোমার কাছে,,,,,,,