Mascara (New style segment of Chandramukhi) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Mascara (New style segment of Chandramukhi) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

জুতোর শুকতলা ক্ষয়াটে বেকার##সুপ্রীতি বর্মন

 


Mascara


(( A new style segment of Chandramukhi)),,,,,



সুপ্রীতি বর্মন,,,,, 




জুতোর শুকতলা একদা ছিল ক্ষয়াটে বেকার স্বর্ণালী যৌবনে হেটে খেটে খৈ উড়ানো চালে ছুটানো অশ্ব,,,,,

অপ্রতিদ্বন্দ্বী অশ্বের দৌড়,,,,, 

আজ যেন মড়ক লাগা ছোঁয়াচে ছৌনাচের মুখোশে মুখ গুঁজে থাকা গৃহস্থালি অচেনা তুমি,,,,,

শুধুমাত্র তোমার অন্ধগৃহে আবদ্ধ শোকে,,,, সাইকেল সিটের আরামপ্রদ গদি অপ্রচলিত লকডাউনে গৃহকাতর শোকে ওলটপালট এখন ছেঁড়া ছেঁড়া,,,, 

নেই কোন যত্ন ভয়ে আড়ষ্ট পিলে গেছে চমকে মেরামতের ঝুপড়িতে পড়েছে চিরতরে প্রয়াণে প্রেক্ষাগৃহের পর্দা,,,,,,

চিলচিৎকার আড্ডার মধুরেন কলকাকলি সমাপয়েৎ,,,,,

গেরস্থালির ছাদ হয়েছে কমলাভোগ প্রাঙ্গণ 

ক্রিকেটের টোয়েন্টি টোয়েন্টি ম্যাচের 

গ্রাফিক্স  ডিজিটাল প্লেগ্রাউন্ড,,,,,

এখানে আরাম ঠিক যেন কোন ক্ষণস্থায়ী কর্পূর সংক্রামণের মিতব্যয়িতার শোকে।।

ঝুপ ঝুপ করে তাই রেফারির অশনি শীৎকারে আর করবো না কর না কর না ডাক ছাড়ে,,,,, 

ওরে খোকা ফিরে আয় জুতোজোড়া ছেড়ে রেখে বাড়ির চৌকাঠে,,,,,,

না হলেই হয়ে যাবি নিশ্চিহ্ন ফ্রেমের দড়িতে ঝোলা কোন স্মৃতিচিহ্ন,,,,,

শ্রদ্ধার্ঘ্য নিতে আমার পকেট তখন হবে পিতৃঋণে ভার,,,,,

ঝুলন্ত শব থরে থরে বাদুড়ঝোলা বিবাগী ধূসর বিস্তীর্ণ বাঁধাধরা আছোলা বাঁশ মৃত্যু উপত্যকায় নিয়েছে শরণ,,,,, 

স্নেহার্ঘ নিতে সদা যে পোড়ামুখী জীবন উন্মুখ, স্পর্শযোগ্য দূরত্বের আকাল দংশন।।

না হলেই তৎসম আইনি প্যাঁচার নখরাঘাত ক্যালানো উদোম খোলা হাড়বজ্জাতের পিঠে আঠারো ঘা আঁচড়,,,,, 

কালশিটের পদক্ষেপ নাগরিক চুয়াড় ক্ষিধেয় জরায়ুর ফাটা কাঁসর আর্তনাদ গ্রহণ,,,,,,




পাগলে কি না বলে ছাগলে কি না খায় কম্পাসকাঁটার বিচক্ষণতায় বন্দী দৃষ্টিকোণ,,, 

কিন্তু সেই পাগল যখন ব‌ইয়ের পাতায়

বিনা তটস্থ বিদ্যায় না মাথা ঘামিয়ে

দর্শনের কথা বলে জনস্বার্থে প্রচারিত 

অমূল্য তথ্য প্রজ্ঞাপারমিতায়,,,,,

তোমরা জনগণছাগ উভচরী প্রলাপে খায় না মাথায় দেয় কে জানে,,,,, 

ক্ষুধার্ত কঙ্কালের মতন মৃত্যুর ঝরাপাতা হয়ে 

আড়মোড়া ভাঙে যখন শমনের আড়াআড়ি চোখ,,,,,

তোমরা উচ্চশিক্ষিত সমাজ বিনা বাক্যব্যায়ে সেই পাতা চিবায় ও উগরায় যখন ফাঁদে পড়ে বগা কান্দে,,,, 

নিজ স্বার্থ সিদ্ধি অন্বেষণে কারণ চাগাড় দিয়েছে তখন তার জন্মের ডাক,,, 

বাঁচতে যে হবেই হবে তোকে ।।

যখন থাকে না কোন ফাঁকফোকড় গাঁটে গাঁটে বাত

জুতোর তলায় মাড়িয়ে যাওয়া নেই কোন ধুলোর সম্রাটের বালাই চাল,,,,

তখন মুদ্রাদোষে রাতদুপুরে ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস নিশাচর ভ্রমণ তার লুকোচুরি শৈশব,,,, 

কিন্তু দিনে দুপুরে তখন নেই কোন ভ্রূক্ষেপ তার দুশ্চিন্তার ডাকাতি,,,, 

কারণ সবাই এখন আনকোরা জুতো পায়ে শয়নে শিথানে শিলান্যাসে গৃহবন্দীর কামড়ানো চাদর,,,,




সবাই এখন সংযমী ঋষি হয়ে যাও##সুপ্রীতি বর্মন

 


Mascara (A new style segment of Chandramukhi),,,,, 


সুপ্রীতি বর্মন,,,,,, 


সবাই এখন সংযমী ঋষি হয়ে যাও,,,, 

যাজ্ঞবল্ক্য ঋষি বিল্বপত্রম নীলকন্ঠে আদ্যন্ত শুল্ক যাপন শ্লোক পুরাণের পুঁথি ছিঁড়ে খড়কুটো কুঁড়েঘরে ক্ষৌরকর্ম দাওয়ায় বসে,,,

নেই কোন উপায় চিবুক থেকে পুরুষালি লোমশ বুকে সিংহের কেশর ঝুলিয়ে,,,,, স্ত্রীয়াচারের মোরগ ঝুঁটি আঁকড়ে হয়ে যাও মিতব্যয়িতার সঞ্চয়ে সন্ন্যাসী,,,, 

হয়ে যাও সাময়িক বিরতি পূর্ণচ্ছেদ সংসার আশ্রম হতে 

বৈরীতায় রুক্ষ সূক্ষ আটপৌরে অরণ্যে লেগেছে গ্রহণ,,,,,,

বানপ্রস্থ যাপন বাটপারি চোরের উপর 

গার্হস্থ্য আশ্রম কিংকর্তব্যবিমূঢ় ক্ষয়রোপণ,,,,,,

অজাতশ্মশ্রু ভালো ছিল এই এঁচোড়ে পাকা কলুর বলদের ঘানি টানা এককাঁদি চুল দাড়ি,,,,

ছোট্ট চড়ুইয়ের বাসায় অজন্মা গিজগিজ খড়কুঁটোর টানাটানিতে মহীরুহ বটের বয়োবৃদ্ধ হোমরাচোমরা গতরে টেকা দায়,,,, 

গুচ্ছ শিকড়ের গ্রন্থিমূলে যখন তখন আদ্যোপান্ত ঘর্ষণ,,,, 

এটাই এখন স্লো মোশনে স্থিরচিত্র নিশ্চল কাকাতুয়ার বুড়ো আংলা মানুষের ফ্যাশন,,,,,,

পুরুষকথার সংসার পুষ্করিণীর ভরাট আতামুখে ক্রন্দন,,,,




মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯

নাগরের দোলনা


16. মাশকারা,,,,

নাগরের দোলনা,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

নাগরের দোলনায় চেপেছিল কিশোরী পরম সুখে
"দোল দোল দুলুনি, রাঙা মাথায় সহনশীলতার চিরুণী"-
তবুও নির্ভরতার রষা দড়ি কষাকষি সম্পর্কের পিছু টানে
কখন ছিঁড়ে ঘাড়ে পড়ে দোদুল্যমান
সোহাগের ঝারবাতি----

এখনো বোধহয় তোমার হুকুমের ঔদ্ধত্যের হুঁকোর টানে
কিশোরীর নৃত্য ঝংকারে
কামবিলাসী উর্বশী হতে কিছুটা বাকি।।


Practice makes a man perfect


15. মাশকারা,,,,

"Practice makes a man perfect"-----

সুপ্রীতি বর্মন

যদি তাই হবে তাহলে তো সবকিছু ছেড়ে বসে থেকেছি দিন প্রতিদিন পন্ডশ্রমে,

জাগাবো তোমার অষ্টপ্রহর দিবানিদ্রায় থাকা চৈতন্য
তাতে তো প্রচেষ্টার (ঢাকঢোল) ‌অক্লান্তভাবে পিটিয়ে ----
একচুল তুমি সরোনি তোমার নিদির্ষ্ট স্থানাঙ্ক থেকে
বরং হতে লেগেছো স্বভাবের মুদ্রাদোষে
জীবনি শক্তির বৃত্তকে ছুঁয়ে স্পর্শক অনাসক্তির----

কবে যে তোমার ঘুম ভাঙবে কে জানে---
আমি বরং ততক্ষণে এপাশ ওপাশ একটু
পরমসুখে ঘুরে আসি---

যাতে কম সে কম পরিশ্রমের ঘাম শুষে----
নিজস্ব আলাদা একটা বৃত্ত গড়া যায় নিজের হাতে।।
তাতে একটু হলেও হতে পারবো 100 percent perfect,,,,
থাকবে না কোন শোক আর একচুল তফাতে।।


বাণিজ্যে বসত লক্ষ্মী


14. মাশকারা,,,,

বাণিজ্যে বসত লক্ষ্মী,,,,

সুপ্রীতি বর্মন


বাণিজ্যে বসত লক্ষ্মী কিন্তু তুমি কেমন যেন হয়ে থাকো অস্থিরমতি। তোমাকে নিজের হাতের মুঠোয় করতে হিমশিম পুঁজিবাদী শক্তি।।

কালঘাম মহাজনী ঋণ তোমার মৃন্ময়ী সোনার অঙ্গে
পিচ্ছিল হলেই একটু গৃহবাসী হয় দেউলিয়া--

তুমি কারোর একার ন‌ও---
যার হাতের কব্জায় তার প্রেমে তার হাড়মজ্জায়---
তবুও অন্ধকানাই ডুব ডুব ঘোরে মাতাল----
সকাল সকাল সাইকেল পোদে তোমার‌ই দিকে ছোটে
একটু হেসে সামনে এসে বল দিকি একবার,
আমি আছি আমার মতন আর থাকবো
আমাকে বশীকরণ বিদ্যায় করা যায় না পগার পার----
তাই ক্ষণকাল তিষ্ঠ বৎস, ভাবো দিকি আরেকবার
কি তোমার আসল সম্পদ----
যা পেলে রাত হবে দিন-----
আর না পেলে অঘোরতান্ত্রিক শোকে----
দিন হয়ে যাবে রাত চোখের পাতার ওপারে,,,,
সেটা হল জ্ঞান, জ্ঞান‌ই হল মুক্তি,
এখনো তুই বুঝলি না,,,, জেনেশুনে তাকে দিতে চাস ফাঁকি
তবে তাই হোক,,, তোর ইচ্ছে যা খুশি তাই করগে মনের সুখে ----
তখন যেন বলিস না যে বলিনি
তোকে সাবধান হতে, প‌ই প‌ই করে----

যখন বুঝবি একেবারে শেষে
কোনটা তোর আসল সোনা আর কোনটা নকল
তখন যেন ঢাকঢোল পিটিয়ে বছর শেষে
উচ্চকন্ঠের শোকে
ডাকিস না আর রামছাগল মা মা করে
এবার একটু ভেবে বুঝে বিচক্ষণতায় নিজে থেকে
পার হ‌ও বাপু তোমার জীবন সমুদ্র।।


সময়ের রাজপথ


13. মাশকারা,,,,

সময়ের রাজপথ,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

সময়ের রাজপথে বেকার দিন যায় বছর ঘোরে

আমার মৃতবৎ শরীর তখন পরম সুখে
তোমার একপাশে পড়ে থাকে, তোমার আঙুলের ছোঁয়ায় কখন রাজ্ঞীকায়া জাগবে

আবার তোমার ইচ্ছেমতন পুতুল নাচ নাচবে
না না পুতুল হবার ইচ্ছা নেই আর

তুমি বলবে হেসে তখন এখনো তুমি ছেলেমানুষ আছো
আমি বরং হতে চাই তোমার সালংকারা পূর্ণ প্রতিমা
যার অঞ্জলি শুরু হবে তোমার হাতজোড় ক্ষমার করপদ্মে।।


প্রথাগত শিক্ষা


12. মাশকারা,,,,

প্রথাগত শিক্ষা,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

প্রথাগত শিক্ষায় বিদ্যালয়ে ব্লাকবোর্ডের ঘন চটচটে অন্ধকারে চকের আঁচড়ে বহু কষ্টে ও যত্নে ফুটে উঠেছিল প্রথম প্রথম আদ্যাক্ষর,,,,
ঠিক যেন তোমার স্বপ্নীল ভবিষ্যতের পদ্মাক্ষর,,,,

আজ যখন সে প্রকাশ্যে উন্মুক্ত সামাজিক প্রাঙ্গনে আউরায় নিজের তর্কের বুলি,,, তখন তাকে এক ঠাপে চর মেরে ভদ্র সভ্যতার,,, বোঝানো হয়,,,,সব জায়গায় সব কথা বলা শোভনীয় নয়,,, যেন সেটা এক গলদঘর্ম পাপ শ্রম ক্ষয়,,,

কখনো সখনো পিঠে কষাঘাতে বোঝানো হয়,,,, বেশী বকিস না শুধু খালি তোর মুখেই লেকচার,,,

কড়িহীন বোলচাল ঔদ্ধত্য অন্তঃসারশূন্যতা---
তার থেকে তোর মুখে দে তালা,,,
শিক্ষিত হয়েও থেকে যা নির্বোধ জবুথুবু নিশ্চুপ কোন পাথর-----
এতেই তোর সবদিক থেকে মঙ্গল,,,,,



মানভঞ্জন


11. মাশকারা,,,,

মানভঞ্জন,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

এক অষ্টাদশী কুমারী বহু কষ্টে ও আক্রোশে খন্ডিত মুখের টুকরোগুলো সামনে থাকা দর্পণে লক্ষ্য করে
আর হতোদ্যম শোকে সে তখন মূর্চ্ছাপ্রায়,,,
 বলে উঠে নিজের সাথে একান্ত সংলাপে,,,
এ আমি কেমন আমি,,, কে আমি,,,,
এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধরো,,,
আর আমি মগ্নচৈতন্যে আবার বলে ওঠি আমায় আরেকটু আদর করো,,,

ওদিকে রগড়ারগড়ির মানভঞ্জন খেলায়
 যখন গুমোড় ভেঙে রিরংসা মেটাতে মুখের মেঝের ফাটা চাতালে
 শুদ্ধিকরণ ক্রীমের সৌজন্য উপাচারে মেজে ঘষে,,,
 ফিরে পাওয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় উঠে পড়ে লেগে,,,,
সোহাগ মুখশ্রী ফিরে পাবার যেন এক অক্লান্ত আত্মসমর,,,,,
ধুন্ধুমার আত্মসম্মান রক্ষায় চলছে,,,
তখন কে যেন বলে সেটা তো পাগল ওর কাছেই গচ্ছিত আছে,,,
তুই ফিরে পাবি কি করে,,,
তখন মনে মনে ভেবে বলে মেয়েটি,,,
সত্যিই তো এতদিন ধরে তো আমার খেয়াল করাই হয়নি,,,,
"তাহলে কি পার হয়ে যাবে না তো আমার সোহাগ করার সমর",,,,


প্রাণপুরুষ


10. মাশকারা,,,,

প্রাণপুরুষ,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

কবিতার প্রাণপুরুষ কে মেরে ধরে কেলিয়ে হাড়গোড় ভেঙে ঝুলিয়ে দিয়েছো
কোন বোধিবৃক্ষের ক্ষীণকায় মৃতপ্রায় ডালে,,,,
আর তার ফাঁকফোকড়ে গুঁজে দিতে লেগেছো শব্দ উপমা কেটেছেটে
 টুপটুপ উপর থেকে ঝরে পড়া অর্ধবিকশিত জ্যোৎস্নার আধুনিক চামর তার এখন চমকপ্রদ লক্ষ্যনীয় শোভা,,,
শুধু উপর উপর ষোলোআনা,,,,,,
 তাতে মহাজনী ঔদ্ধত্যে আবেগ নিষ্প্রাণ,,,,

এখন তর্জণী তুলে আবিষ্কারের উত্তুঙ্গ মোহে নেশার ঘোরে বলতে লেগেছো
ঐ দেখো সোহাগ লাল টুকটুকে আপেল কেমন ঝুলন্ত,,, পেড়ে নাও দিকি,,,বোধি,,,

তাতে হয়ত একজন অবোধ বালক ছুটে এসে খাবে বলে নিল পেড়ে
 ঐ দীর্ঘ প্রতিশ্রুতির জারিত রসের সোহাগ ফল,,,,
কিন্তু মুখে দিতেই বলে যত‌ই হোক উপকারী কিন্তু জিহ্বার প্রশংসা প্রশস্তির অত্যাধিক ঘর্ষণে ও চাটুকারিতার লেহনে,,,,
আপেলের গতরে জমেছে জরা চর্বির,,,,
হয়ে গেছে একেবারে কোন মেডিসিনের মতন বিস্বাদ,,,
বিষাদ যে মিষ্টতার আবেগ এখানে একেবারে শূন্য,,,,
যেন কোন ঠনঠন গোপাল,,,,
বিষ নেই তার কুলোপাণা চক্র,,,,,


কৌশলী তস্কর


9. মাশকারা,,,,

কৌশলী তস্কর,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

তুমি যেন ছিলে কোন শান্তশিষ্ট ক্ষণকাল তিষ্ঠ বুদ্ধিজীবী সৌম্যকান্ত পুরুষ,,,,
যার মনের ঘরে সিঁদ কেটে ঢুকে
 চুরি করে নিয়ে গেছে তার মন তার একান্ত প্রিয়তমা,,,,
যেন কোন তস্কর সম তার আচরণ,,,,

এখন যদি কোন চোর গার্হস্থ্য আশ্রমে পরম যত্নে চুরি করে নিয়ে যায়
আভিজাত্য এর আলোয়ান ঠেসে মুখভার করে ক্লান্ত অবসন্ন দেহে
একের পিঠে আরেক পরম সুখে থাকা ব‌ই সন্তর্পণে কাউকে না বুঝতে দিয়ে,,,,

তখন তুমি সেখানে এক বুদ্ধিজীবী জ্ঞানপাপী যে সব জেনেও না বোঝার ভান করে পড়ে থাকবে,,,
অন্তর্যামীর মতন মুখ টিপে ঈষৎ হাসবে আর বলবে,,,,
ভালোই হয়েছে তুই আমার চোখের আড়ালে সব ব‌ই নিয়ে গেছিস,,,,

কিন্তু তুই তো একপ্রকার অন্ধকানাই ডুব সাঁতার,,,
 তাই ব‌ইয়ের ভেতর মুখগোঁজা দমবন্ধ অক্ষর তোর কাছে কালো মোষের মতন
কারণ যত‌ই হোক দিনশেষে তো তুই অশিক্ষিত,,,
 তাই এর পাঠোদ্ধার করা তোর সাহসে কুলাবে না কোনদিন,,,,,,

আর আমি তো দীর্ঘকাল অধ্যাবসায়ে
 অনেক আগেই ওগুলো পাঠোদ্ধার করে মস্তিষ্কে ধারণ করে আছি বোধিবৃক্ষের সুপ্ত বীজ,,,,
একদিন না একদিন ঠিক সেটা মহীরুহ হবে,,, শুধু সময়ের অপেক্ষা,,,,
আর কোন চিন্তা নেই,,,,


কাজের কাজ


8. মাশকারা,,,,

কাজের কাজ,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

তুমি  please  সোনা কিছু কাজের কাজ করো,,,,
কি সব তোমার অবান্তর প্রলাপ খোয়াইশ
যো হোগি একদিন বিলকুল সাচ,,,
মেরি মর্জি কা হকিকত মেরা খাব
এক সালোনি সপনা,,,,

মগর তুমি লোগ কো তো কোই,,,,
খেয়ে দেয়ে কাজ নেই,,,
শুধু উৎসুক্য অমোঘ ঋণ জ্যোতির,,,,
জানতে চাও খালি চোখ পাকিয়ে উঁচু লম্বা উদগ্রীব কন্ঠে
 যেন কোন অনুসন্ধিৎসায় পোষ্য লাউডগা,,,,
 ছেলে কি করে,,, কি তার কাজ,,, কেমন তার প্রতিষ্ঠা,,,,

আচ্ছা একটা কথা বলো কোন গ্যারান্টি আছে
যেটার শঙ্খলাগা অদম্য ইচ্ছায় সঙ্গমদোষে গা ঘেঁষটে দিনরাত পড়ে থাকো,,,,
ঐটা কি আদৌ তোমাকে কিছু দিতে পারবে ওটা তো শিল্প সাহচর্য এ পার্শ্ববর্তী আঙ্গিক অবস্থান,,,,
যাকে চলতি কথায় ভেতো বাঙালী প্রায়‌ই বলে ওঠে,,,
দেখ দেখ কেমন "পেটে ভাত নেই কিন্তু কোটে সিঁদুর",,,,
Crucial point এই উঠতি বয়সে লাগামছাড়া হয়ে যাবে,,,,
থাকবে না কোন লক্ষ্য তোমার,,,,

সেরকম হঠাৎ আমার প্রতিষ্ঠানিক সত্য পরিশ্রমে ক্লান্ত আখরবিনিদ্রযাম নেই,,,
 সকাল সকাল ভানুমতীর খেলের মতন ম্যাজিশিয়ানের ছোঁয়ায়
পেয়ে যেতে পারবো না ভুঁইফোড় প্রশংসা কিংবা নাম ধাম প্রতিপত্তি,,,প্রগতিশীল যৌবন,,,

তবে কেন পড়ে রয়েছো ওকে তোমার প্রিয় প্রথম বৌ করে,,,
অন্য লোকের মতন তো পাশাপাশি ওকে করে রাখতে পারো
 ছিনালি স্বভাবের মুদ্রাদোষে কোন রংঢঙসঙ করা উর্বশী,,,
 তোমার যাপনমুদ্রার ঘোরে,,,,

আমি তখন চিল শকুনের চীৎকারে গলা ফাটিয়ে বলে উঠি,,,
আমি ওকে প্রচন্ড ভালোবাসি,,,,
তাই পারবো না ওকে ছাড়তে,,,,
কেবলমাত্র ঐ এক এবং অদ্বিতীয়ম,,,
 আমার চিরকাঙ্ক্ষিত সাধনা,,,,
তাই অন্য কোন দোসর নিতে ন‌ই রাজী,,,
 ঐ ছিল আর ঐ আমার এখনো আছে চরমতম প্রণয় শিল্পসৌকর্যের শিশমহল,,,
তখন নিয়তি অসীম ধৈর্য এর পরীক্ষা নিয়ে
বলে উঠে হেসে বৎস তবে তাই হোক,,,,


আমি সেই মেয়ে


7. মাশকারা,,,,

আমি সেই মেয়ে,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

আমি সেই মেয়ে যাকে দিন প্রতিদিন কানে কামড়ে বোঝানো হয়েছিল
যে পড়াশোনা শেষ করে যেদিন অর্থ রোজগার করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবি,,,
আত্মনির্ভর ঠিক সেদিন হতে পারবি,,,

রোজগার করতে থাকলাম যান্ত্রিকতার ঘূর্ণায়মান চক্রে
 যেখানে স্থির হয়ে নিজের কথা নির্লিপ্ত ক্ষণে একটু ভাববো,,
তা হল শোচনীয় অপরাধ,,,
কারণ এইসব এখন শোভনীয় একদম নয়,,,,
সহায় সম্বলহীন আপনজনের ভার ও দায়িত্ব কর্তব্য কাঁধে তোলাই
একমাত্র বাঞ্ছনীয়,,,,

অন্যদিকে তখন কুমারী রোদ্দুর অপহরণের ভয়,,,
বুকের মধ্যে সবসময় ঢেঁকির পাড় ভাঙে কি হয় কি হয়,,,,
কারণ বসে আছে তখন পথে ঘাটে চায়ের ঠেকে আড্ডা মারা উচ্ছন্নে বিলাসী হাওয়ার কতিপয় চ্যাংড়ার দল,,,
 পরম সুখে ইভটিজিং এ ডাকে,,,
 "এ ছম্মকছল্লো ইধার দেখ যারে,,, উফ ক্যায় মস্ত চীজ হ্যায় য়্যার",,,
 হিংস্র লোলুপ হায়না,,,
 তোমাকে লুটেপুটে খেতে চায়,,,
আর তখনি প্রতিবন্ধকতার প্রাচীর আরো শক্তপোক্ত ভাবে তোমার চারপাশে গজিয়ে ওঠে,,,
তোমাকে আড়ালে আবডালে চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়
 যে যত তোমার‌ই স্বভাবদোষ,,,
কেন পুরুষের প্রলোভন বাড়াতে
পড়ো ছোট ছোট জামা,,,
যাক তাহলে এখানেও আত্মনির্ভর হয়ে উঠা আর হলোনা,,,,

তারপরেও সে আত্মনির্ভর হতে পারলো না,,, বুকের মধ্যে কেমন যেন একটা দমচাপা কষ্ট,,, ক্ষোভেকাতর যন্ত্রণা,,,
 সামাজিক চাপ,,,
অনেক তো বড় হলো এবার একটা হিল্লে হলে ভালো হয়,,,
 না হলে বাবা মা গত হলে হবে কি,,,
তখন ইচ্ছে করে জেনে শুনে চারধার থেকে বাঁধলাম ভালো রাখার মরণপন প্রয়াসে
 স্বামী পুত্র সংসারের একচ্ছত্র নাগপাশ,,, শুধুমাত্র আমার আমিকে ছেড়ে
এক প্রগাঢ় চাপের কেন্দ্রের আকর্ষণে টানে,,, তাই আর নিজের মতন করে সংসার ছেড়ে আমাকে কোনদিন তিষ্ঠতে দেয় না,,,
সর্বক্ষণ যেন কি হয় কি হচ্ছে সংসারে অস্থিরমতি পাগলপারা,,,,
এক আমিত্ববন্ধ্যা রমণী,,,,

তারপরেও বহু কষ্টে বুক বেঁধে আত্মনির্ভর হ‌ওয়ার চেষ্টায় মেতে উঠেছিল মেয়েটি
আর ঠিক তখন মাতৃত্ব পোড়ামাটির স্বত্তা একরাশ চক্ষুলজ্জার আত্মগ্লানির চাপ নিয়ে,,,জাঁকিয়ে বসে মেয়েলী স্বত্তায়,,,
আর বলে ওঠে লোকে,,,
 কি বলবে দেখো,,,,যতদোষ মায়ের,,, ছেলেকে মানুষের মতন মানুষ করতে এতটুকুও সময় দেয় না,,,,

তারপর,,, ইতি মৃণালিনী না না আরো কিছুটা রেশ এখনো বাকি,,,
যদি ছেলে বৌ না দেখে কেয়ার করে তখন আগাছা লতা আশ্রয় নেবে বৃদ্ধাশ্রমে
তখনো ভয়ে ভয়ে থাকে আর আত্মনির্ভর হতে বার্ধক্য এর কোঁচকানো চামড়া স্পর্ধা দেখাতে চায় না,,,
ভাবে আর কটা দিন বা বাঁচবো,,,
তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে,,,
এখন শান্তিতে দুচোখ বুজতে পারলেই বাঁচি,,,ঐটুকুতেই আমার আনন্দ এই শেষ বয়সে এসে,,,,,,

তাই আর বোধহয় উপসংহারে কুমারী রোদ্দুরে পড়ে অকাল যতি,,,
 আমি সেই মেয়ে,,,
তাই আমার আর সখ করে আত্মনির্ভর
হয়ে ওঠা হলো না,,,,


সোহাগীর উপবেশন


6. মাশকারা,,,,

সোহাগীর উপবেশন,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি তুমি দেখে নিও আর কোনদিন তোমাকে নিঃস্বার্থ নিঃসঙ্গ প্রেমিকার মতন বলবো না,,,,
ঐখানটা করে বসো,,,
আর আমি তোমার কোলে একটু শান্তি করে বসি,,,
আর তুমি সবকিছু বৈরাগী অভিমানের খোলস ত্যাগে আমাকে কাছে টেনে নাও তোমার,,,
আর আমাকে একটু আদর করো,,,
আমি বড় ক্লান্ত,,,,
কারণ সেটা তখন অতীতের মতন শুনতে লাগবে,,,
যেটা বিগত শতাধিক লাঞ্ছনায় নৈব নৈব চ,,,,

বরং আমি চাই তোমার চৈতন্যে তুমি নতজানু ভিখারীর ঝুলি পেতে
ঠিক ঐখানে নিজের অহং ঐশ্বর্য ত্যাগে হরিশ্চন্দ্র হয়ে,,,
  আমাকে ডাকো দেওয়ালে পিঠ ঠেকে কোণঠাসা হয়ে সত্যিকারের ভালোবাসার উপলব্ধির শানিত খড়্গাঘাতে
 যে এসো লক্ষ্মীটি আর রাগ করে থাকে না,,, কোলে বসো,,, আদর করি একটু,,,
 আর দুজনে মিলে হাত ধরে নেমে পড়ি ভবিষ্যত পুনরুদ্ধারের খোঁজে,,,,,


জাহ্নবীর পুণ্যতোয়া স্রোত


5. মাশকারা,,,,

জাহ্নবীর পুণ্যতোয়া স্রোত,,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

পুণ্যতোয়া প্রসবিনী গঙ্গা দূরে দাঁড়িয়ে তোমার এক পাড়ে,,,,
অবাক হয়ে দেখছিলাম তোমার শ্রীময়ী রূপ,,,,

কিন্তু মনে উঠছিল অনবরত সোহাগের উচ্ছ্বাস নয় অনাসক্তির প্রবল ঢেউ,,,,

তখন সিঁড়ি ভেঙে অজ্ঞাতবাসে থাকা অশ্রুজলে ভেসে যাওয়া সিঁথি নিয়ে স্ত্রী আচারে,,,
 আর ডুব দিতে পারিনি প্রখর অক্ষমতার শোকে মুহ্যমান অস্তিত্ব,,,,

হয়ত মগ্নচৈতন্যে আশঙ্কায় প্রহর গুনে ভেবেছিলাম যে
 তোমার বাহন অহংকারী কুমীর ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রখর আক্রোশের করালগ্রাসে হরণ করে নেবে আমার অন্তরাত্মা,,,,
আমার সত্য,,, আমার আজন্মলালিত শোক,,, আমার অশ্রু,,,,
আর তারপর পাপ পুণ্যের দাঁড়িপাল্লার সাম্যতার  সূচকে আমাকে বসিয়ে দেবে
আর আমি স্থির হবার গৌরচন্দ্রিকার ভানে টলমল করতে থাকবো,,,,

ওদিকে এসব সাতপাঁচের মধ্যে ঘটে যায় এক কান্ড চিত্ত আকর্ষনীয়,,,
তোমার ঐ পাড় থেকে ভেসে আসে আমার সোহাগের ডাক,,,
বলে কেমন আছো আর তুমি এখন কোথায় আছো,,,
কখন ফিরবে বলো,,,
 তখন যেন বিমূর্ষ আত্মচেতনা যেটা বিষাদে একদিন দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া একটা হাড়কঙ্কাল ছিল এতদিন ধরে,,,
হঠাৎ তোমার গলা একবার শুনতে পেয়ে সম্বিৎ ফিরে পায়,,,
 আর পাপ পুণ্যের পুন্ডরীকাক্ষং স্তুতিমন্ত্র যাপন তাকে তুলে রেখে
 আরো একবার তোমার সোহাগ সমুদ্রের জারিত মৈথুন স্রোতে
 ডুব দিয়ে নব কলেবরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত শ্রেয়সী হয়ে উঠতে চায় নতুন করে,,,



প্রমাণ সাপেক্ষ


4. মাশকারা,,,,,

প্রমাণ সাপেক্ষ,,,,

প্রতীক্ষায় প্রহর,,,

সুপ্রীতি বর্মন

তুমি সেই কতকাল ধরে ঘরদোর ছেড়ে
 উদ্বাস্তু হয়ে গতিশীলতার ট্রেন থামিয়ে

 চুপ করে বসে আছো সন্ন্যাসিনীর উদগ্র তেজে আলুথালু অবিন্যস্ত কেশে
 কোন অজানা প্রতীক্ষায়,,,,
পাছে ট্রেন যদি অন্য কোন রুটে নেমে
পথভ্রষ্ট হয়ে চলতে শুরু করে
 তখন জিদের বশে ট্রেনের চেন কেটে থামিয়ে দিতে পারবে না,,, সেটা সত্যিই লজ্জাকর,,,

তাই বলে তুমি আর কতকাল ট্রেনের জানলা দিয়ে
অলস কচ্ছপের মাথা ঝুপ করে বের করে বলবে নতুন উৎসাহ নিয়ে
এই দেখো আমি গন্তব্যের দিকে ছুটে চলেছি গতিশীল আছি,,,
স্পষ্ট প্রতীয়মান এই ঘটনা অবশ্যই আজ
তবে সবটাই স্বত্তাধিকারী প্রমাণ সাপেক্ষ,,,,
লোকলাজ,,,,


গুরুদক্ষিণা


3. মাশকারা,,,,

গুরুদক্ষিণা,,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

নিজেই যেন তিসমার খান শতাধিক আত্ম‌অহং এ তালগাছের একাই মাথা,,,,

 কাউকে ভ্রূক্ষেপ করতে চাও না,,,,
 ধার ধারো না,,,
শুধু ক্ষীণকায় দেওয়াল ঝোলা বাদুড় হ‌ও
 যে রাত জাগে আর দিনে দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে,,,,

নিজেকে গুরুর শ্রেষ্ঠ চ্যালা বলে মনে করো আর অন্যদিকে গুরুর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে
ধৈর্য ধরে দিনরাত এক করে অথচ গুরুর অন্তরাত্মার সত্য বোঝা থেকে সাতক্রোশ দূরে,,,,
সত্যিই এ তোমার কেমন যেন এক প্রহসন,,,, তোমার নিজের তৈরী করা আলো,,,,,

আবার তুমি যেন এক বর্ণচোরা নীল শৃগাল যে এক লাফে স্বঘোষিত রাজাধিরাজ হয়ে একলাফে সিংহাসনের গদিতে উঠে বসো,,, অথচ তুমি জানো না আসল সত্য
ধরা তো তুমি নিশ্চয়ই একদিন পড়বে
 যখন তোমার গোষ্ঠীর সঙ্গদোষে এক শৃগাল শীৎকার ডাকে চেঁচিয়ে উঠবে উল্লাসে স্বভাবদোষে,,,,

কারণ আর যাই হোক দিনশেষে এই সত্য অলঙ্ঘ্য,,, অখন্ডিত
যে এক গাছের ছাল কখনোই অন্য গাছে লাগেনা,,, সে তুমি যত‌ই চেষ্টা করো না কেন,,,,


মনের ঘরে খিল এঁটে


2. মাশকারা,,,,,,

মনের ঘরে খিল এঁটে,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

ঘরে খিল এঁটে যে শব্দ ব্যবহার করা হয়,,,
তা সৌজন্য উপাচারে ঈশ্বরীকে প্রদত্ত নৈবেদ্য সুখ,,,,

কিন্তু প্রকাশ্যে সেই শব্দ আজন্মপালিত পাপ,,,
সৌজন্য উপাচারে লোকালয়ে ছি ছি,,,,

বুঝি না বাপু তর্কালংকার,,,,,
তুমি একটু বুঝিয়ে বলো শাস্ত্র ঘেঁটে দেখি,,,,,
তোমার চোখের আড়ালে কিন্তু স্পষ্ট বিদ্যমান,,,,,
এই সমান্তরাল সহাবস্থান,,,, সামঝোতা,,,,
তাই সবকিছু গুলিয়ে এখন এক ক্ষীরপাক বিধি,,,,
না তোমার না আমার সহজাত এই অস্তিত্ব,,,,
বিভাজন নীতি,,,,,


Divide and rule policy


1. মাশকারা,,,

"Divide and Rule Policy ",,,,,,

সুপ্রীতি বর্মন

এই কথাটা তো সকলের‌ই ভালো করে জানা,,, কিন্তু  actually  এটা ঠিক তখন খাটে ,,,
যখন  Opposite party  সুঝবুঝে ক্ষমতায় হবে বিচক্ষণ ও দাপটে,,,,
কিন্তু যদি সে হয় বোকাসোকা অন্তর থেকে ছেলেমানুষ নিষ্পাপ কিংবা খুব বেশী নরম,,,,

তখন হয়তো তোমার তাকে বোঝানো যে তুমি এই কাজটা যদি করো তাহলে হয়ত তোমার ভালো হতে পারে,,, তখন হয়ে যেতে পারে বিপরীত চক্রে হিতে বিপরীত কোন ভুল বোঝাবুঝি,,,,
তোমাকেই তখন মুদ্রাদোষে বুঝে নিতে পারে বা নেবে নিজের মঙ্গল সাধনের হন্তারক,,,

তখন না জেনে না বুঝে তোমার কাঁধে চাপিয়ে দিতে পারে নিজের নির্বুদ্ধিতার বহর কিংবা গর্দভের মতন ব‌ইতে থাকা তার গার্হস্থ্য এর ঝুলি,,,,

তখন হয়ত চুনকালি তোমার নিজের মুখে ঘষে হতে হবে গাধার পিঠে চেপে অবান্তর অন্ধ গ্রাম হন্যে হয়ে ঘুরতে থাকা,,,
 মুন্সিয়ানাহীন কোন শাস্ত্রজ্ঞ বাদর,,,,


মাশকারা,,(New thought and vision),,,,সুপ্রীতি বর্মন


মাশকারা

আমাদের অনিশ্চিত একপ্রকার আন্তরিকতার মেহগনি কাঠে আত্মদগ্ধ হবার মতন যন্ত্রণার ঘুণ যখন ধরে তখন পাঁজর ভাঙা অনর্গল দীর্ঘশ্বাসে সুখশয্যায় অজগরের গ্রাসে এগোনো লকলকে জিহ্বার দুশ্চিন্তা এড়াতে প্রিয়তমা কোল বালিশ কে আঁকড়ে ধরে পাশ ফিরে চোখ বুজে অজ্ঞানতার অন্ধকারের চাদরে নিজেকে মুড়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে চায় ম্রিয়মাণ শোকে,,,,মহার্ঘ মৃন্ময়ীর ঘামতেলের মাশকারা,,, জাহ্নবীর কচলানো আঁখির পদান্বয়ী শৃঙ্খলে,,,,আমি তোমাতে করিব বাস,,, দীর্ঘ দিবস রজনী,,, দীর্ঘ সন্ত্রাস,,,,,


Mascara (New style segment of Chandramukhi)

Flutterworthy magnetic lashes,,,,
By wisdom and knowledge expert,,,,
Or u can say supervision,,,,,

Enhance ur inner soul beauty,,,,

Brighten up ur vision not eye,,,, so that life will bloom like a lotus flower for ur mingled partner

Smudge proof and clump free,,, Deep rooted depression and sigh,,,

Ultra-creamy fibrous texture (Rough and rude struggle of life) not only an opportunity oriented gracious hunk to deep inhale into your warmth and cordial reception of ur heart with strong demand of only love,,,, Nothing else,,,,,

This is a special and unique segment of Chandramukhi,,,,,so that we can be strong like iron by wiping out all depression and unwillingness to take life in a smooth and relaxed way as an inspiration,,,,

So just go ahead with ur unique thought and never be lagged behind because life comes only once with its opportunity,,, so just celebrate it with Grandeur celebration,,,  just Enjoy,,,,