পদ্মজা সংগ্রহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পদ্মজা সংগ্রহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৮

পদ্মজা- ১৪



১. কবিতা: অপরিচিত

শুভব্রত মন্ডল

আমাকে  না চেনা মানে মাটি আর জল কে না চেনা;
অনুপম বুদ্ধ যেমন অচেনা তেমনই আমার পদক্ষেপে শুধু স্মিত হাসি।
আমার চাউনি আর অন্যমনস্কতার ভাঁজে ভাঁজে হিম সন্ধ্যেবেলা;
আমাকে না স্পর্শ না করার অর্থে হাজার বছর পিছিয়ে যাওয়া।
আমিতো পাঁচমারির দেওয়াল লিখনের কারিগর।
আমার কাছে না এলে হাভানা চুরুটের মৌতাতে শীৎকার তুলবে কি করে বলো?



২. কবিতা:

শুভব্রত মন্ডল

পুঙ্গব

আমি আজীবন গাছ আঁকি
কখনো পলাশ কখনো বা ঝাঁকড়া বট;
কখনো শুধুই পালকের মতো ঘাস।
সারাজীবন গাছ আঁকলাম
দেখিনি কত আঘাতে গাছ কাঁদে?
তাই আমি একটিও প্রেমের জন্ম দিতে পারিনি।

নদী
রজঃস্বলা নারীর মতোই লালচে গেরুয়া জল;
কালশেষে দুপাড় চরায় পলি আর সবুজ শিশুর মতো ফসল।

উঠোন

তোমার চুলের গন্ধ নিতে যে তেপান্তর পার করি;
চাপাকলে দুলে উঠে দুরন্ত যৌবন।

বেতের মোড়া

লাল শাল গায়ে কমলামাখা রোদে;
দুহাতের দ্রুত ছন্দে উলের গোলায় উত্তাপ প্রস্তুতি;
দুরের দৃষ্টিতে খোঁজ কলেজ প্রেমিকার।
যে আসন জানে স্বামী পুরুষের মনের ভার।




৩. কবিতা: আমার পাখিরা

শুভব্রত মন্ডল



পাখিরা নীল শাড়ি পরো কপালে লাল সাদা চন্দনের ছোঁয়া
আমার শরতে শিউলি ছিল সাদা উষ্ণ পারিজাত।
এখনতো রোদ্দুর বিবর্ণ তাপহীন।
শারদ আকাশে চিমনির দল বড়ো আঁশটে গন্ধের কারবারি।
মন্ডপে মন্ডপে উড়ন্ত কিশোরীরা মেছুনির মতো;
কেবল দরদাম মুঠোফোনে;

**পাখি একবার সবুজসাদা পাখনা মেলে উড়ে এসো **

আমার শরতে কাশবনে দামোদর তীরে;তর্পণের শেষে ভাসা কুশ তিলে মেখেছি পিতৃপিতামহের ঘ্রাণ;আজন্মলালিত প্রেম যেন শালিখের ভীতু খুনসুটি; বুকের কবোষ্ণ অক্ষরে সাইকেল টুংটাং ব্রজের রাখালের বাঁশী;বিনুনির বাঁধনে এত আলো; আলোর পথশেষে অবিরল জিজ্ঞাসা 'ভালো আছো?'

**পাখি আমার উত্তাপে রেখো নরম কমলালেবু আমার কপালে।*


হিমযুগ শারদপ্রাতে সেইসব শালিখ,শিউলিরা শীতঘুমে;শব্দেরা চিলচিৎকারে বাজায়  উৎসবের ভেরী;মন্দিরে শঙ্খধ্বনি লুকানো গভীরে; নির্মম নিস্পৃহ কাপালিক আর ঝলসানো শিশু; কালো কালো দিনে মাঝে মাঝে মনে হয় ফিরে এসো পাখির দল;
*পাখিরা লালশাড়ী পরো কপালে সবুজ টিপ**

পদ্মজা- ১২




কবিতা

দূরত্ব

    আবদুস সালাম


  অফ্ পিরিয়ডে রাধাচূড়ার গাছে হেলান

 তারপর একটু একটু করে কাছে আসা

রাতে স্বপ্নের বারান্দায় একের পর এক খুলে  যায় পোশাক

 চিত্রনাট‍্য চলতে থাকে

 নিজস্ব তা বলতে কিছু থাকেনা


 সামনে এগুনোর সাহস নেই

 ভরসা  হারিয়ে যায়

 গরমিল অন্ধকার

 ইচ্ছা অনিচ্ছায় অন্তঃসারশূন‍্য আস্ত জীবন হামাগুড়ি দেয়

 দুর্ভেদ্য বনভূমি ছুঁয়ে তখন  নামে বিকেল


 অবিন‍্যস্ত দোলাচলে নামে ধ্বস

 ঝাঁপিয়ে পড়ে কুয়াশা

 কেঁপে ওঠে স্বপ্নের ঘর

  মুগুর ভাঁজে বিচ্ছেদী চাঁদ


 ইচ্ছের সংবিধানে খেলা করে পাতলা জলের অভিমান






পদ্মজা- ১১



১. কবিতা:

উচ্ছলন
       সুখবিন্দর সরকার


এক নদী সাঁতার কাটা জ্যোৎস্না
ঢেউ গোনে বেকসুর মাঝি

পাহাড়ী কান্নায় ঝর্ণার চোখে
বৈষ্ণব রাগিণী

আঁধার লুকানো মলিন কান্না পাহারায় জেগে কাটে রাত ভরাট কিতায়

কলমি শাকের শোক

উচ্ছৃঙ্খল পাটাতন জলন্ত যোনিমুখ
খোলস ছাড়ে উলঙ্গ ফোকাস

প্রেমের বলিদান প্রহরীর সান্ত্বনা

জলসায় নখীলা চামচ

প্রেম বনাম যুদ্ধ= উপবাসি মৃত্যু

         ####



২. কবিতা:

মতলবে

         সুখবিন্দর সরকার



তোমার নূপুর ছুঁয়েছি জিভ বরাবর


অচ্ছুত প্রেম শেকল দিয়ে আঁকা


ভরা নদীর স্রোত বুক বরাবর

তোমার সাথে মেলে


পুরনো রাত

নকশা বদল নকশীকাঁথার মাঠ


বোতামের চারপাশে সেলাইহীন

নজরবন্দি চোখ

         



৩. কবিতা:

হৃদ মাঝারে

      সুখবিন্দর সরকার



খোলাচোখ আঁধার লিপষ্টিক


স্মৃতির মন্থন অমোঘ ফ্ল্যাশব্যাক


'তুমি' কিম্বা তোমার মতো

পথের দাঁতে একরাত বিবেকি

ফুলশয্যা...


রাতশেষে উপবাসি যৌনতা

চিকন ভ্রু'তে মেকাপ

       ###



৪. কবিতা:

পথের সাথি
      সুখবিন্দর সরকার


কথার ফাঁকে আস্ত  ঢেকুর
ঝরা পাতার শামিয়ানা বাসি
রোদের চুলকানি

ফেরার পথে নূতন  রাত অপেক্ষায়
যৌন থাবায় মৃত কিশোরীর বলিদান
স্বরবর্ণ++

সবুজ ক্ষেতে নীল জিরাফের চুমু

অমীমাংসায় শারদ সকাল শিশির
ভেজা শিউলির জ্বর

        ###


৫. কবিতা:


গোড়িলা পার্ক

       সুখবিন্দর সরকার


মায়ামুখর সন্দিহান কলম্বাস রাত


মনের চোখে 'বিসলারি' ঠোঁট


মায়া কাটে মন্দির চত্বর


মায়ামৃগ ভক্তির ভোগ


চেতনা-চৈতন্য ছয় কন্যা হরণ


যুধিষ্ঠিরের স্বপ্ন সম্মোহনী রাত

       






সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

পদ্মজা- ৮



১. কবিতা: ক্যানভাস

        সুতনু হালদার

কিছুটা আদর যত্নের পর প্রতিসরাঙ্ক মেপে নেওয়াটা ওর চিরকালীন স্বভাব। আজও তার ব্যতিক্রম হ'ল না বলেই ধরা পড়ে গেলাম! কুয়াশা চিবোতে গেলেও আদর করে চিবানোর দরকার, কারণ আদরের মধ্যে আগুনের চুম্বক থাকে

ভোরের প্রতিটা মুহূর্ত যাঁতাকলে শিশিরের পায়ের শব্দ শোনে, হে শ্মশান বন্ধু, হে নৈঃশব্দ

বারোয়ারি বিভাজনের প্রতিশব্দ লিপস্টিকের মতো এঁটে থাকে ঠোঁটে, প্রতিটা চুমুতে; এসো, ঠোঁট ফাঁক করি বিভাজন খাই, কয়েক পশলা বৃষ্টি আটকিয়ে থাকে খাদ্যনালি তে ভালোবাসার মতো মমত্ব মিশিয়ে...

এতসবের পরেও আদরের প্রতিসরাঙ্কে চাপ চাপ রক্ত, নিঃশ্বাসের গরম বাতাসে বিকেলের গর্জন মাঝরাতের বিছানাকে আঙুল তোলে! পরশ্রীকাতরতা খামচে ধরে তোমার মেয়েলি সত্তায়; আমার পুরুষালি মুদ্রাদোষ অভয়ারণ্যের মতো দামাল অথচ স্তব্ধতার লিঙ্গভেদ করে পরজীবী চাঁদের গ্রহণে

এর পরের ইতিহাসটুকুই নরম আর গরমে দীর্ঘ পথ একসঙ্গে হেঁটে যাবে--পরিচ্ছন্ন স্বপ্নের দীর্ঘশ্বাস যুবতির ব্যাকরণ আঁকতে আঁকতে নিজেই ক্যানভাস হয়ে যায়!



২. কবিতা: সেলফি

     সুতনু হালদার


সেলফি তুলতে গিয়ে বারবার মেঝের চটাগুলো মেয়েটির মুখে লেগে যাচ্ছিল! মেঝের ওই চটাগুলোকে ঢাকতে বিন্দু বিন্দু রিরংসা; ফটাফট  খান কতক ছবির জন্য তৎপর হাত...

নিটোল ছবি! কোন দাগ নেই মেঝেই, দাগহীন মুখাবয়বে ঘুমন্ত অ্যাড্রিনালিনের ক্ষরণ। শুকনো পাংশুটে ঠোঁটেও কি দারুণ জেল্লা! কার সঙ্গে যেন শুয়েছিল বিবর্তন! প্রায় সেই মুহূর্তেই ফেসবুকে পোষ্ট, আর ঠিক তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই দেড়হাজার লাইক আর প্রচুর কমেন্টের ভিড়!

নিখুঁত শব্দবন্ধ আসলে খিদের পূর্বাভাষ। বাক্যের শেষে আশ্বিনের শিউলিতলা ভরে থাকে সাদা সাদা শিউলি ফুল। নিঃশ্বাসের গুমোট রঙ সুখ্যাতিতে রোদের মতো আলিঙ্গন করে; চটা ওঠা মেঝেটা অসহায় হয়ে বোবাকান্না কাঁদতে কাঁদতে যেন ঘুমিয়েই পড়ল!

চুমুর চিকণ স্পর্শে জেগে থাকা রাত মাছির মতো ভনভনিয়ে দেওয়ালে গড়ে তোলে নির্ভেজাল রতিচিহ্ন; যখন ভোর হ'ল তখন থেকে মেয়েটি আর সেলফি তুলতে পারলো না...



৩. কবিতা: পুতুলখেলা

         সুতনু হালদার


তারপর সেই মিথোজীবীয় সন্ধ্যাগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ করতে গিয়ে মোবাইলের মেমোরি ফুল লোড! তুমি তখন আমার পাশে শব্দজব্দে মেতে ছিলে; কয়েকটা অক্ষরের সন্ধান আজও কেমন নস্টালজিক...
দুটো প্রাণ শুধু অক্ষরের ব্যস্ততায় পাশাপাশি হেঁটে চলে,  রথের দড়ি টানের হিংস্র সমবায়ে দধীচির মতো আত্মত্যাগে কখনো শীতল শিরশিরানির ছোবল! দিনগুলোর ক্ষমাসুন্দর চাহনিতে নকশি কাঁথার মতো দীঘল চোখের সূর্য আড়চোখে দ্যাখে পরাগমিলনের খুনসুটি...

রাস্তার এপার থেকে ওপার পর্যন্ত ঘামের বিন্দু, ওই বিন্দুগুলোর সামন্তরালে আমাদের প্রেম ঘনীভূত হয়েছিল, রক্তের মতো দামাল তরল যোগ কলা বারবার মনে করিয়ে দ্যায় একেরপর এক নিছক ঘুমন্ত দিনগুলোর সজীবতা, চোখের সামনে না বলা কথারা যেন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে! কথারা চিরকাল বড্ড বেশি কথা ভাঙে...

আমাদের রক্ত দামাল হতে হতে সমান্তরাল  এগিয়েছিল! ফ্লাজেলীয় চলনে সরলরেখার শেষবিন্দুতে জ্যামিতিক মাপ অবাধ্য হয়ে ওঠেনি কখনো...

অনেকদিন আগের ব্যাপন ক্রিয়ায় ঝাউবনে ঢাকা ছোটোখাটো পুতুলের খেলাঘরের নৈব্যক্তিক আচ্ছাদন  খুব প্রিয় ছিল, পুতুলগুলোর ভাগ্যিস কোন মন থাকে না...




৪. কবিতা: সংসার

     সুতনু হালদার


আজ শুধু শূন্যকথা,শূন্যতায় অনন্ত প্রহর
অক্ষরের শব্দঋণে ঘুম ভাঙা পাঁজরের হাড়
লেখা থাকে অন্তরের হিমশৈল্যে, বারুদের শহর
কন্ঠস্বর চিনে রাখে বিষন্ন প্রেমিক-প্রেমিকার

দুর্নিবার অন্ধ স্রোত, শূন্যতায় অনন্ত সাঁতার
সমস্ত মিথ্যা শ্লোকের ছাইভস্ম মাখে মনুসংহিতা
সূর্যাস্তের কিয়দংশে মিশে থাকে গাঢ় অন্ধকার
গ্রীষ্মের প্রখরতাপে তেতে ওঠে শ্মশানের চিতা

অন্তর্লীন স্তব্ধতায় যাবতীয় কবিতার খাতা
ভরে ওঠে, ইতিউতি ভেসে আসা মেঘের মতন
গাজনের উপাসনা,  ধুতরার ফুল, আকন্দ পাতা-
ফকিরের ছদ্মবেশে রাঙিয়ে তোলে সব দেহ-মন

শিব তো নিমিত্ত মাত্র, আসলে শূন্যতায় তান্ডব
নীল কন্ঠে রোজ রোজ মান আর হুঁশ নিয়ে ক্ষোভ


রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৮

পদ্মজা- ৭(দ্বিতীয় ভাগ)



৪.

চলনে মাটি পড়ে থাকে

লাল] মাটি >><<অবশিষ্ট [ চুনাপাথর

আংটিতে লেগে আছে ~ বেলুনের শীত
শরতের মণিহার। উদ্বায়ী স্মৃতিগোছা }}}

কাঠামোভস্মে ২-দিনের আড়াল। ৩ - আঙুল মাপ

আণবিক ছায়াছবি {{{ কাঁপাকাঁপা -> আপাত



৫.


১টি উড়োজাহাজের আত্মকথা

------------------------------------------------------------

ধরা যাক

জ্যামিতি বাক্সে ~ আকাশ

কেউ আঁকছে।আকাশ ওড়ে < ছড়ায় >

ধরে নিতেই পারি

বারান্দা এবং জলফড়িং

নোনা কাগজের নৌকো

যখন ভাসছে ~ মায়ের পেট।সামুদ্রিক ভ্রূণ

আমরা ____

চারাগাছ রুইতে রুইতে দূরের পথ


###


হাতের ফাঁকে রঙিন পেনসিল [রংপেনসিল]

আকাশের রঙে রং মিশে যায়

মুখস্থ ধারাপাত।আসহবেনীকলা

মেঘপরি-র তাপযাতো অক্ষর

ছোটো প্রজাপতির জলীয়বাষ্পে ~ শীত

মুখ।চোখ।নাকছাবি।নূপুর

শব্দে ছোটা সৌর-গতিবেগ ~ চুম্বকভেদী সময়

ক্লাসরুম ছুটি হলে ঘুড়ি নাচে



পদ্মজা- ৭(প্রথম ভাগ)



১.

আস্তেআস্তে~অভিশপ্ত হচ্ছি। জানি<

কনিষ্ক মূর্তি) একের & একের পর ১

যোনিপথ, জন্ম দিচ্ছে ছায়ামানুষ

Obviously পারমাণবিক -

প্রতিক্রিয়া~হ্যালুশিনেশনে তাজমহল


২.

ধোঁয়াটে আস্তরণ ছিঁড়ে -

মশারি-র ভেতর থেকে মাংসাশী টিকটিকি

খাদ্যতালিকা ঝরে পড়ে

হয়তো বা চতুর্ভুজ পিরামিড

লালাটে অঞ্চল~বেয়াব্রু দৃষ্টিনেশা

হাটেবাজারে হারাকিরি

মোমবাতি ভরতুকি দাও। ডিমান্ড SEZ

পদ্ম}} জাতীয় ফুল {{গেরুয়া}} জাতীয় রং

শিশমহল ভাঙে। স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রসবপর্দার সঙ্গমস্থল




৩.

মুকাভিনয় <ঝুরোঝুরো> সাওয়ান-ভাদো

যতোটা বিপ্লবী। পরিস্রুত & নিখোঁজ

% দ্রৌপদীকাল্ ফিজিক্স

টায়ার্ - হাওয়ার সাথে জেমিনি জাইলেশন্

মৃত্যু অহংকার~কবিতার ছুটি

ছুট্: হে মহাশয় - আণুবীক্ষণিক পেট্

ব্রহ্মাস্ত্র: চিকেন/মটন - ১:১

ভুল অথচ নির্ভুল

মাস্টারমশাই ~ সমীকরণ কখনোই মেলান নি

স্রেফ: রাবীন্দ্রিক আকাশকুসুম ঝড়

হয়তো।কখনো।পেরোচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ-

নিশ্চিন্ত ধ্রুবক


পদ্মজা- ৬



১. কবিতা: ছায়াপথ

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


ছায়াশিকড় নেমে গেছে বুক পর্যন্ত

কেউ নিতে পারছে না তার বেড়ে ওঠার দায়

ভেদাভেদ গড়ে উঠছে মস্তিষ্ক আর পথের মাঝবরাবর-


সরে যাবে বলে আজ আর কোনো রাষ্ট্র মানোনি তুমি,

শুধু ঝলসানো ঠোঁট সেজে পড়ে আছো কোথাও...

                                                 তুমিই উড়ন্ত প্রেমিক-


কত চুমু ধ্বসে গেলে চুকে যায় বিছানার ঋণ?

বুঝে নিও ক্ষত... ঈশ্বরের দায়-


সেই সদ্য পুড়ে যাওয়া খোলাপিঠে আরো সহস্রাব্দ

শুধু পরিশোধযোগ্য চারাগাছ জন্মাবে-





২. কবিতা: অপেক্ষা করো আরো

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


রাস্তা সারাই করতে আমার আরো কিছুক্ষণ দরকার

কারন আমি উপোস করেছি সারাদিন


ভোর হতে খুব বেশি সময় বাকি নেই আর

সমস্ত বাড়ির ছাদে লুকিয়ে রাখা আছে বিজলীর বাতি

যুবতি নদীর মতো তারা জ্বলে

                                        আবার নেভে... জ্বলে...


সময় দাওনি তুমি-

এখন রাত ভীষণ গভীর,

কুয়াশায় নাম লিখে উপোস ভাঙছি আমি...


ছাদের রাস্তা সারাই হচ্ছে

ভালোবাসা পেতে নাহয় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করো আরো...






৩. কবিতা: তবু প্রেমিক বোলো না

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


তোমার আশেপাশে থাকার শর্ত একটাই -

                                                     বিপন্নতা...

আমি নিঃস্ব, দুঃখী চিরদিন,

কারণ আমার শরীরে কোন ল্যাম্পপোস্ট নেই...

নিজেকে বেঁধে রাখার জন্য যেটুকু সনাতনী সংগ্রাম

তার মধ্যে কোন অর্জিত কৃতিত্বও নেই...


প্রতিদিন কোমর জড়াতে আসে হুসেনের পেশাদার রঙ --

                                                                         মীনাক্ষী

তোমার সঙ্গে জেগে থাকার এই তো একমাত্র অধিকার...


আজ তোমার আশেপাশে প্রতিটি খাঁচা

শাস্তিঘর হয়ে গেছে -

তারা ঝুলিয়ে রেখেছে আমার মতো শতশত মানদণ্ড...


সেই অসংখ্য বুক চিরে আমায় কখনো প্রেমিক বোলো না--




বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৮

পদ্মজা--৫



১. কবিতা: স্নাতক

জয়দেব মহান্ত

আমার স্নাতক ডাকটিকিট ঝুলিয়ে
একপ্রান্ত বিনুনী তালিকায় বাঁধা।
বিরতিহীন উল্কার গন্ধ
ভাবেনি পস্টারিটি আবেগে
মুখলুকানো প্রতিবেশী
আমার অভিমানের পকেট কাটে
গান্ধর্ব ঘোমটা,
খিড়কির শ্যাওলা লকলকে নিঃশ্বাসে
ছোঁয়নি, কোলবালিশের হ্যাংলা মুখ।
পেনেটির মাঝে তখনও সুতপা
ঢলে পড়া গতিক নিংড়ে
ডাকছে,,,,,,


২. কবিতা: গাঁটছড়া

জয়দেব মহান্ত

ডুমুর ফুলের গাঁটছড়া বেঁধে
নিকশ্ করে খাচ্ছে অকাল।
খুচরো সকালের কন্ঠস্বর বিঁধে
ঢোলক বুনছে, ইস্পাতি বাউল।
কমলার সন্ধ্যেটা চলতি গর্ভবতী
মোচার কোলাজে গুটানো করুণ শ্রীমতি।

মুখফেরা দেরাজে পাতানো বিকেলের কুঁচি;
আঁতুরে সিগারেটের কোল ঠেসে-
জিরুতে চায়, সেতুর আঁচলে বুঝি।
লিপলেট রুগ্ন কাগজ, ছেঁড়া প্রেসে;
টানছে ইঞ্চি, হাঁপরের উসকানি আলতো ঝুলে,
কয়লাটিপে সুতপা, সন্ধ্যা রাখছে তুলে।


৩. কবিতা: তোমার গীতবিতান

জয়দেব মহান্ত

পলাবাঁধা এলোমেলো যে কয়েকটা
সম্পর্ক তোমার কাছে ইজারা চেয়েছিলাম।
বুদবুদে কাদা মেখে সবটা
হারিয়ে নব শ্রাবণ ধারায় হয়নি উদ্দাম।

আঁচড়ের স্পর্শটা জ্বলছে এখনও,,,,,

ডুবানো নোঙরে বিকেল সাজাচ্ছো?
দম্পতি মেঘের কার্নিশ বেয়ে,
গীতবিতান হবে, জলপিন্ডের পুচ্ছ
ব্লানচেটে হিজল স্পর্শ নোনতাদিন হয়ে

মিলিয়ে দিলে, অন্তর কন্ঠ! দাও,,,,,,

যাক্, এভাবেই বোলতা ভাবনারা
কুয়াশার ফ্রেমে ম্লান হবে।
আগন্তুক নিঃশ্বাসে মেকি উত্তরা
গন্ডপিঠ থেকে আমায় ছোঁবে।

তুমি কালান্তকে মিরান্দা হয়ে হবে উধাও,,,,,




৪. কবিতা: নভেলির ছাইপাশ

জয়দেব মহান্ত

নভেলির ধাঁচে আমার কিংডোম
শাসন চালায় নির্জন - আলাপচারিতা।

খানসামাদের গোলাবাড়ি গোধূলির দিকে নশ্বর,

চারিত্রিক জীবাশ্মে শাসক পর পর

আমার আঁতে, দেবাদূর ত্রিলজি
আলংকারিক গম্বুজ-
ছাইপাশ মাখিয়ে আঙুলময় আবছা।

যতটা পরিসীমায় জলবায়ু পরের পাতায়
লাঙল টেনে নদীখাত বোনে।
মধ্যরাতের ব্যাকডোরে সেলাম ঠোকে
অশরীরী প্রজা।



৫. কবিতা: তুই বা সান্ধ্য - পেনিক

জয়দেব মহান্ত

তোকে নিয়ে অনেকটা দিন ব্লেড আঁকা হয়নি
নিয়োগী পাতার গুচ্ছ খানেক ব্যাক ক্লিপ;
অন্যমনস্ক, লিপস্টিকের অর্ধচ্ছেদে
তোর কপাল ভাঁজ করে আউস ধানের টিপ।

তুই নিমপেথির সবুজটুকু শিষের তুষে বেহুল কর,,,,

ঘুমানো বালিশে মুখের বিকৃত সকাল
ভিজানো হাওয়ায় যেমনটা রোদ মাখে।
ফ্যারাশে তালুর বিপরীতে কাজলে টানা আঁচল
ঢেকে দেয় নিস্ফলক বিস্মৃতির ফাঁকে।

উচ্ছন্ন রুমালকাঁটার হিমগ্লোবিনে আমায় ধর,,,

আমি তোর গোলাপী মোহরের রক্ত তিল,,,,,
ভ্রূ উঁচিয়ে মুছে দেব সন্ধ্যা - পেনিক মিল।









বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮

পদ্মজা--৪



৪. কবিতা: বেদনা

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

তখন বাতাসে একটা মিষ্টি গন্ধ
খড়ের চালে পাক ধরছে
কেবল হ্যারিকেন আলো
মৃত সকালের খোঁজে
ব্যস্ত ট্রামলাইন আঁকড়ানো হাতিশুঁড় গাছ
অপেক্ষায় মায়াপুর লোকাল
ভুট্টার আগুনে ছেঁকে নেওয়া
কচি শরীর হাঁপিয়ে ওঠে সমুদ্র সৈকতে
মনে পড়ে সকালের বাসি ভাত
কাদামুখ পথিকের পাশে
উত্থিত বেদনায় পৃথিবী শিরা ভাঙ্গে
নেশার জোয়ারে ভাসা মহুয়ার গাছে


৫. কবিতা: নীলরোদ্রের ঘ্রাণ

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

কুয়াশা: দূর্বায় ঢলে পড়ে
অনামিকায় জড়ানো এভারেস্ট চূড়া
পাতা ঝরা চৈত্রের বুলি
লেগে আছে পেয়ারার বাকলে
মোরগ চাপা ভোর, ভবঘুরে চাঁদের পিঠে
সাদা কালো কিছু কথার মহড়া
লোপাট করা বটের অন্তরীক্ষে
নীলরোদ্রের ঘ্রাণ মেখে নিচ্ছে বসন্ত
আপেল খোসার আঙুর রসে
উথলে ওঠে নীল আকাশী দোয়াত


৬. কবিতা: প্ল্যাটফর্ম

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

নির্জীব জড়বস্তু, লোকালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে
বক্ষচ্ছেদ করে তার চলছে ট্রেন সাপের মতো
প্রাণ নেই তবু যেন কত প্রাণের সমাগম
দিনরাত চেঁচামেচি তবু মনে হয় সে যেন চুপচাপ
কত করি পদাঘাত তবুও সে করেনা রাগ
মায়ের মত আগলে রাখে
মায়ের মত কোমল কোলে বিশ্রাম নিই কত রাত।

পারেনা সে কথা বলতে তবুও সে বলে কথা
আওয়াজ করে ডেকে দেয় সে তার বিশ্রামকারীদের
সে যেন কথা বলে করে দেয় সবাইকে সজাগ
'ধনুক থেকে ছুটল তীর করবে এসে আঘাত'
ধীরে ধীরে আসলো ট্রেন এই স্টেশনে
একে একে সবাই গেল
এখন কোন যাত্রী নেই এইখানে।

দিনরাত সবাইকে করে আমন্ত্রণ, জান কি তার নাম
সে হল নির্জীব জড়বস্তু, শুধু্ই প্ল্যাটফর্ম।



৪. কবিতা: বেদনা

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

তখন বাতাসে একটা মিষ্টি গন্ধ
খড়ের চালে পাক ধরছে
কেবল হ্যারিকেন আলো
মৃত সকালের খোঁজে
ব্যস্ত ট্রামলাইন আঁকড়ানো হাতিশুঁড় গাছ
অপেক্ষায় মায়াপুর লোকাল
ভুট্টার আগুনে ছেঁকে নেওয়া
কচি শরীর হাঁপিয়ে ওঠে সমুদ্র সৈকতে
মনে পড়ে সকালের বাসি ভাত
কাদামুখ পথিকের পাশে
উত্থিত বেদনায় পৃথিবী শিরা ভাঙ্গে
নেশার জোয়ারে ভাসা মহুয়ার গাছে


৫. কবিতা: নীলরোদ্রের ঘ্রাণ

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

কুয়াশা: দূর্বায় ঢলে পড়ে
অনামিকায় জড়ানো এভারেস্ট চূড়া
পাতা ঝরা চৈত্রের বুলি
লেগে আছে পেয়ারার বাকলে
মোরগ চাপা ভোর, ভবঘুরে চাঁদের পিঠে
সাদা কালো কিছু কথার মহড়া
লোপাট করা বটের অন্তরীক্ষে
নীলরোদ্রের ঘ্রাণ মেখে নিচ্ছে বসন্ত
আপেল খোসার আঙুর রসে
উথলে ওঠে নীল আকাশী দোয়াত


৬. কবিতা: প্ল্যাটফর্ম

বিশ্বনাথ বিশ্বাস

নির্জীব জড়বস্তু, লোকালয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে
বক্ষচ্ছেদ করে তার চলছে ট্রেন সাপের মতো
প্রাণ নেই তবু যেন কত প্রাণের সমাগম
দিনরাত চেঁচামেচি তবু মনে হয় সে যেন চুপচাপ
কত করি পদাঘাত তবুও সে করেনা রাগ
মায়ের মত আগলে রাখে
মায়ের মত কোমল কোলে বিশ্রাম নিই কত রাত।

পারেনা সে কথা বলতে তবুও সে বলে কথা
আওয়াজ করে ডেকে দেয় সে তার বিশ্রামকারীদের
সে যেন কথা বলে করে দেয় সবাইকে সজাগ
'ধনুক থেকে ছুটল তীর করবে এসে আঘাত'
ধীরে ধীরে আসলো ট্রেন এই স্টেশনে
একে একে সবাই গেল
এখন কোন যাত্রী নেই এইখানে।

দিনরাত সবাইকে করে আমন্ত্রণ, জান কি তার নাম
সে হল নির্জীব জড়বস্তু, শুধু্ই প্ল্যাটফর্ম।












পদ্মজা--৩



প্রান্তিক মুহূর্ত

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


পারলে মাছেদের সঙ্গে সংসার করে দেখো

কানকোর নিঃস্বাস চিরে ধ্বসে পড়তে পারে দেয়াল-

সমস্ত ইতিহাস বইতে তুমি লেপ্টে রাখো শহরের ছবি

সমুদ্রে ডুবে থাকা সত্ত্বেও যেসমস্ত ঘর জলমগ্ন নয়

পারলে সেখানেই বাস করে দেখো

বেঁচে থাকার জন্য আরো উদাহরণ খুঁজে পাবে...


শুধু মাছেদের নিঃশ্বাস জমে থাকে সমুদ্রের নিচে-

তুমি প্রেমিকের সঙ্গে একা দরজা আটকালেও

জলজ সমাজ সেই খবর ধামাচাপা দেয়...


আমি বহুযুগ ধরেই জ্ঞানত ঘুমিয়ে আছি জলের গভীরে

তুমি চাইলে আসতেই পারো

আমি কোনদিন কানকোর নাতিশীতোষ্ণতায় তাজা রোদ্দুর লাগতে দেব না-


সামান্য উষ্ণতার তারতম্যে আমি প্রতিটি জীবনের প্রান্তিক মুহূর্ত খুঁজি...




শরীর চুরি

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


ঘামে ভেজা চিঠি থেকে সরিয়ে রাখো ছায়া

কখনো তা শরীরে মুড়ে শুধরে নাও অনিচ্ছাকৃত ভুল-

ঘরে মুখ লুকিয়ে রাখলে তুমি আবার দোষী সাব্যস্ত হও

সমস্ত শরীর ছেড়ে বুকে ছায়া মেখে নিলে

আমি জানতে পারি আকাশ থেকে শাখাবট ঝুলে পড়েছে ধুলোর রাস্তায়...


তুমিও সন্ধ্যে হলেও নিয়মিত ছায়া খুঁজে দেখো

শুয়ে থাকো প্রবীণ উত্তাপ থেকে জেগে ওঠা সুচালো ঠেসমূলের গায়ে

প্রতিটি অস্ত্রের ধার পিঠে সয়ে নিলেও

হাত রাখার জন্য কোনো অবাধ নির্ভরতা প্রশ্রয় দেয় নি আজ-


যেকোনো সকাল থেকেই তুমি ছদ্মবেশে বন্দি

বুকে জমে থাকা পাথরের ছায়া সরালেই

আমি প্রতিদিনের মত তোমার ক্ষতচিহ্ন দেখতে পাই...


আবার রাত্রি নামবে

আবার ঘন হবে গাছেদের একাকিত্ব

তুমি বিশ্বাস রেখো

ছায়ার বিভেদ বোঝাতে আমি আজও তোমার শরীর চুরি করি...




খোলস

কৌশিক চক্রবর্ত্তী


একটা বৃত্তের মধ্যে বেড়ে উঠছে ক্ষমতা

এখনো সমানুপাতে চওড়া রেললাইনের ধারে

বিক্রি হচ্ছে খসে পড়া বুক

কাওকে ভালোবেসেছিলাম বলে জমা করে রেখেছি সমস্ত কৈফিয়ত

যা হয়ত কখনো তুলে দিতে হবে গণতন্ত্রবাদীদের হাতে...


আমি এখন ব্যারিকেড ভাঙতে পারি,

আমি এখন হেঁটে যেতে পারি সমস্ত ধর্মঘটের বুকে,

আমি আবার ডানাপাখনা গুটিয়ে নিজের শরীরেই পুষে রাখতে পারি লোভ-

ফিরে যাবার জন্য কোনো ফুটপাথ লাগে না-

একটা আঁচড়ে যখন খুলে পড়ে রোদ, আলো পড়ে রাস্তায়

স্বভাবতই আমি তখন বিচ্ছিন্নতাকামীদের দলে...


এখনো সাহসী হোক রাস্তায় শুয়ে থাকা গোপনচরিত্ররা-

হয়ত সেখানে কিছু জবানবন্দী ফেরি হতে পারে,

যা শুনলে বলে দেবো রেললাইনের পাশে নির্জীব পাতাগুলো

সৈনিকের বুক থেকে ঝরে পড়েছে কিনা...


পদ্মজা--২



ক্রমশ

মধুরিমা মণ্ডল

★*************★

একটা ট্রেন গড়িয়ে যাচ্ছে তেতলার কড়িকাঠ বেয়ে।

আমি ডুবে যাচ্ছি অচেনা গহ্বরে,

চ্যাপটা হচ্ছে শরীর

প্রতিটি ওভারব্রিজইই দুলতে চাই

কেউ ট্রেন পায় কেউ ---- দেখা  ;

তারপর থেকে আমি চশমা খুলি না।




অশরীরী -০

পলাশ চৌধুরী

★**************★


বয়স নিয়মে বাঁধা মেয়েরা  প্রলেপে মুড়াই

অথচ তরলবৎ ক্ষুধারা চরম হলে রতিময় কুম্ফু।

ত্রিপান্ত শরতে মোড়া মনিকাঠে শ্যাওলা

নাভিতে গরীব হলে মাতাল কজ্জলে গুণ্ঠন ছাঁকা।

নুইবে আষাঢ় রোগে বোতামঘরের ফুটো

তমসা নিবিড় জ্বালা পূজারী পূজারী ডাকে।




অশরীরী -১

পলাশ চৌধুরী

★**************★

সকলজন্ম দিয়ে, পুষেছি প্রেমিকা দায়

ট্যাবু ট্যাঁস ট্যাঁসে, বোনে সূঁচের সূচীর তালায়।

কাছে আসে যারা, কে বলে তারাই প্রেম?

ক্যাঁচরম্যাচর করা ক্যাকটাস যারা,যুবতি তারাও হয়।

গভীর জ্বরেতে যারা, এখনো শ্রাবণী চায়

যাপিত নরমে আজও, তারাই তারাপথ হয়।



রাতকাহন

পলাশ চৌধুরী

***************

ধরো আমি তোমার সারা শরীরে হাত বুলিয়ে দিচ্ছি। ফেটে যাচ্ছে সকল মাংসল পেশী,দৃঢ় হচ্ছে বৃন্তদ্বয়।


এবার ভালবাসবে? নাকি বলবে অবিশ্বাসী ভয়??


আমি নরম কামড়ে চরম হয়েছি

কামড়াবো কামঘর  ;

সুগন্ধি দাও সুগন্ধি দাও, মুছবো সকল পুঁজঘর।


তুমি পাশবালিশে বুক ঘষে ঘষে বলে যাও শুধু আমি নই কামখোর,

আমি একাই নাহয় নরক ঘাঁটবো তুমি শুদ্ধ থাকো রাতভোর।



পদ্মজা--১



মেন্সট্রুয়েশন্

...... সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরাম কেদারায় হাঁটুর উপর হাঁটু রেখে জ্বলন্ত চুরুট,
অবগাহন সেরে প্রবেশ সঙ্গীনির দিকে পলক,
তৈলাক্ত গাত্রে ফোঁটা-ফোঁটা  জলবিন্দু ধরে যায়,
দর্পনের সম্মুখে দাঁড়িয়ে
কেশ নিয়ে ক্রীড়া ও সৌন্দর্যের মাপ-ঝোপ চলে,
বুকভাঁজ থেকে উরু অবধি ভেজা ন্যাপকিন্,
ঢাকা গেছে কোমরের নীচের সেই তিল যৌবনের অলংকার গুলো ।
বিলম্ব নয় তাই এগিয়ে পশ্চাত্ থেকে বাহুদ্বয় দিয়ে গাঢ় আলিঙ্গন,
কাঁচে চোখে চোখ পড়তেই লজ্জায় মুখ নামে,
ঘুরিয়ে দেওয়ালে পিঠ সেঁটে গভীর চুম্বন.......
মেঝেতে আবরণ ছুঁড়ে ফেলি
উপর থেকে চুমু দিতে দিতে.. হঠাৎ থামিয়ে দেয়,
মেঝেতে তাকিয়ে দেখি সান্দ্র তরল।

তলপেট চেপে শুয়ে থেকে
আবদার পূরণ,
দিব্যি দিয়ে গলায় খাবার নামে,
এভাবে স্নেহাদরে
মেন্সট্রুয়েশন্ ব্যাথা যেন শূন্য হয়....।।




প্রণয় ও প্রোজেস্টরন

...... সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়।


টগবগে যৌবনের প্রণয়ী,
অফুরন্ত বসন্তে, স্যাঁতসেঁতে শাড়ির বাঁধন খুলে যায়,
কর্ণের লতিতে ঈষৎ কামড় পড়তেই...
উষ্ণ !!
ফ্রিজের রাতে মদ্যপূর্ণ বোতলে-র গায়ের মতো ঘর্মবিন্দু নিমেষে জমা হতেই
নেশা লাগে,
লোডশেডিং এর দেশে
জ্বলন্ত মোমবাতির সাথে সাথে গলে যায় যত দুঃখ ।

গলা থেকে দু-ইঞ্চি নিম্নদেশে  যৌবনে প্লাবিত হওয়া দু-পাশে উঁচু পাড়ের মাঝে মাথা চেপে ধরে।
লালা দিয়ে বুক নালীর এপার-ওপার,
নাভির জোয়ার-ভাঁটা আছড়ে পড়ে উপরের দেহে, ...
তৃষ্ণার্ত রাতে
আঁকড়ে ধরে মাতোয়ারা হয়ে কেটে কেটে বর্ণমালার উচ্চারণ -
উমম-আহ্হ্হ্ -হুঁ-আ-রো-কা-ছে !!!
সোহাগ স্পর্শে যোনিপথ যেন সুপ্ত গোলাপের পাঁপড়ি,
অহংকারে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় রোঁয়া।
নীচ-উপর
উপর-নীচ...
ক্রমশ জাপট ও ফোঁপানি...
প্রণয় মিটতেই চাই না,
শিহরণে চলতে থাকা টিক্ টিক্ শব্দে আরও মিনিট কুড়ি ওলট-পালট,
এলোমেলো চাদর
ঠোঁটে-ঠোঁট
নিষ্ঠীবনের গারগেল
শেষমেশ চার দেওয়াল ঘুম আঁকে চোখে......।


এখন রাত হলেই
দু - চারটে লাথি ও
পাঞ্জরভাঙা কষ্টে উদরে হাত মালিশ করে দিতে হয়।
তিল তিল করে বড়ো হয় ভ্রূণ,
ছেলেমানুষি করে বাইরে থেকে কথা বলে...
কতশত আদুরে সম্বোধন !
আঁশটে প্রোজেস্টরনের ঘ্রাণ নিতে নিতে কখন যে প্রণয়ী ঘুমিয়ে পড়ে
বুঝে উঠতে পারি না......।।


শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৮

"পদ্মজা সংগ্রহ"-সুপ্রীতি বর্মন।



"মৃন্ময়ী নাভির প্রস্ফুটিত ১০৮ কোকনদে আমার চূড়ান্ত প্রেমাঞ্জলী প্রিয় কবিতাগুচ্ছের রৈখিক আলাপনে,,,,,,,,,,,
পদ্মজা সংগ্রহ।
সম্পাদক সুপ্রীতি বর্মন।"