শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৯

অজানা অচেনার কমেন্ট



ক্যাপশন,,,,

ভালোবাসার দীর্ঘজয়ী কালস্রোতে অনন্ত,,,,
ধর্ণায় বসে প্রিয়তমাকে হাসিল,,,, প্রেমিকের জিদের চৌম্বকীয় টান,,,,,

সংগ্রামী অভিনন্দন কমরেড।।
বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক।।
যেন কোন জেদী প্রেম ও পরিণয়ে ইচ্ছাশক্তির স্বাধীনতা সংগ্রামের জয় হল,,,,,

তোমার ধর্ণার অক্ষুণ্ণ শক্তিতে বিপ্লব জয়যুক্ত ও দীর্ঘজীবী হোক,,,, জয় হিন্দ,,,,,




অজানা অচেনার কমেন্ট



ক্যাপশন,,,,

ভালোবাসার দীর্ঘজয়ী কালস্রোতে অনন্ত,,,,
ধর্ণায় বসে প্রিয়তমাকে হাসিল,,,, প্রেমিকের জিদের চৌম্বকীয় টান,,,,,


এটা কেমনধারা বিয়ে বাপু কোন জগতের সৃষ্টি ও বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক এর যে গায়ে হাত দিলেই প্রচন্ড অভিমান ও আক্ষেপে হাত সরিয়ে দেয়,,,,

ভাই তুমি সত্যিই আস্ত একটা আপাদমস্তক গাধা,,,, পা কুড়ুলে দাও আর কুড়ুল পায়ে দাও,,, তার ফল তো সেই এক হবে,,, পা তো তোমার‌ই কাটবে,,,,,




অজানা অচেনার,,,,কমেন্ট




ক্যাপশন,,,, 

ভালোবাসার দীর্ঘজয়ী কালস্রোতে অনন্ত,,,, 
ধর্ণায় বসে প্রিয়তমাকে হাসিল,,,, প্রেমিকের জিদের চৌম্বকীয় টান,,,,, 


প্রেম করার সময় অনেক এঁকিয়ে বেঁকিয়ে স্বর্ণলতা লাজুক কুমারী শশীর মতন সেলফি নিয়েছো বেশ ঘটা করে আত্মভরি দৌরাত্ম্য এ,,,, এখন বিয়ের সময় একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী মুখ ঘুরিয়ে কেন আছো বোন,,,,, মাঝে মাঝে মনে হয় এইসব সৃষ্টি ছাড়া মেয়েদের একেবারে ঝাঁটা পেটা করা উচিত,,,,




অজানা,,,,কমেন্ট

হয় পক্ষে না হয় বিপক্ষে সমর্থন,,,,

ক্যাপশন,,,,,,


1. ওরে পাগলা, আট বছর তুই যদি নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে দৌড়াতিস তাহলে মেয়ের বাবারা আজ তোর বাড়ির সামনে ধর্নায় বসতো।।

2. জোর করে কারো আপন হ‌ওয়া যায় না,
হয়তো কিছুটা সময় আপন সেজে থাকা যায়।

3. শাহাজাহান যদি বেঁচে থাকতো ----
তাহলে বর্তমানে যা প্রেমের অবস্থা তা দেখে
তাজমহল ভেঙে হোটেল বানাতো।


রাজশ্রী ব্যানার্জী,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,


রাজশ্রী ব্যানার্জী

গূঢ় মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণ

 আমি খুব পজেটিভ মানুষ  ৷ কোন ভাঙ্গা সম্পর্ক জোড়া লাগার চেয়ে আনন্দের কিছু হতেই পারে না ৷ কিন্তু এক্ষেত্রে কোনো দিক থেকেই , সম্পর্ক জোড়া লাগানোর অভীপ্সা নিয়ে সম্পর্ক জোড়া লাগানো হয়নি  ৷ যে সম্পর্ক দেনাপাওনার নিক্তি মাপে,,,, সে সম্পর্ক বহু আগেই ভালোবাসাকে মলিন করে দিয়েছে ৷ এখন যেটা ক্বাথ হিসেবে পড়ে আছে তা হল ইগো নামক একটি দুরারোগ্য ব্যাধি ৷ সেই ইগোরই জিত হয়েছে মাত্র,,,, ভালোবাসার নয় ৷ আমি আমার ভালোবাসার মানুষটাকে ভালো রাখার জন্য যেটুকু করতে পেরেছি তার জন্য প্রতিদান চাইলে,,,,,,ভালোবাসাই কলঙ্কিত হয় ৷

মেয়েটির সম্পর্কে আমার ধারণা স্বচ্ছ নয় ৷ মেয়েটির,,, ছেলেটার সাথে প্রেম করতে পারে বা সাময়িক টান থাকতে পারে কিন্তু ভালোবাসা কদাপি ছিল না ৷ যদি থাকতো ৮ বছরের সম্পর্কে এত তাড়াতাড়ি নিজেকে পরিবর্তিত করে ফেলতে পারতো না ৷
এখন এই মুহূর্তে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হওয়ার পরও একজনের জেতার দম্ভ আর অন্যজন সর্বসমক্ষে ধিক্কৃত হওয়ার অবমাননা নিয়ে দুই জন দুই মেরুতে বাকি জীবন কাটাবে যদি না নিজেদের ইগোকে দূরে সরিয়ে রেখে অতীতের সুন্দর অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনতে চায় ৷



কৃষ্ণেন্দু দাস ঠাকুর ,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,

কৃষ্ণেন্দু দাস ঠাকুর

 সামঝোতা,,,সমাধান সূত্র


এটার একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে,,,,অবশ্যই ছেলেটি নিজের ভালোবাসা চাইবার দাবিতে ঠিক ছিল,,, এরকম হয়তো অনেকেই পারেনা। কিন্তু সম্মতিদানের পর তাড়াহুড়ো করে বিবাহ দেওয়াটায় আমার নিজস্ব মতামত--- ভালো লাগেনি। হয়তো কোনভাবে উভয়ের কাছে জোর করে চাপানো হয়ে গেল।
এখন তো রীতিমতো হাসির খোরাক হয়ে উঠেছে মিডিয়ার মাধ‍্যমেই,,,,তবে চাইবো দুজনেই ভালো থাকুক,,,, সুস্থ জীবনযাপন করুক।



রিয়া ভট্টাচার্য,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,


রিয়া ভট্টাচার্য

(নিউজ ফ্লাশলাইট)


অনেকেই গতকাল ধর্নার মধ্যে গ্লোরিয়াস ব্যাপার দেখেছে,,,বিভিন্নভাবে গলা তুলে তাকে জাস্টিফাই করেছে। কিন্তু এটা ভেবে দেখেনি যে যদি ভালোবাসাই হবে তবে মেয়েটির চোখেমুখে এত ঘেন্না এত বিরক্তির ছাপ কেন! সকলের একটাই বক্তব্য আট বছরের সম্পর্ক ছেড়ে গেল কেন! মশাই ভালোবাসা মরে গেলে আট কেন আটচল্লিশ বছরের সম্পর্কেও থাকা উচিত নয় কারণ তখন সেটা বদ্ধ খাঁচার শামিল।

 আর একটা কথা, সকলের দাবী ছেলেটি ভালোবাসার দাবীতে ধর্নায় বসেছিল৷ কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে সে সময়‌ ভালোবাসার দাম পাওয়ার জন্য অনন্ত ধর্নায় বসেছিল। মানে সে চেয়েছিল মেয়েটির ওপর দখলিস্বত্ব, ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা কিন্তু কখনো দখল করতে শেখায় না, বরং ভালোবাসার মানুষের সুখের জন্য ত্যাগ করতে শেখায়। মেয়েটির সামাজিক সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে কোন ভালোবাসার প্রমাণ ছেলেটি দিল জানিনা বা তার সাপোর্টার কবিগণ ভিডিওটি দেখার পরেও তাকে কি করে সাপোর্ট করে চলেছেন জানিনা। তবে ছেলেটিকে দেখে আমার ঘেন্নাবোধ হয়েছে জাস্ট। মেল ইগো স্যাটিসফাই করার জন্য অনেকের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে সে, তাই সে হিরো নয়, একখানা বিগ জিরো।



চন্দন দাস,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,


চন্দন দাস

(সমঝোতা,,, সমাধান সূত্র )


চন্দন দাস মত দিয়েছেন এই পোস্টে,,,ভালবাসা এমনই একটা শব্দ যে,,সেটা নিজে থেকেই স্বাধীন ও স্বয়ংক্রিয় ।

এরপর রইল বিশ্বাস,,,, বিশ্বাস ও ভালবাসার মধ্যে এক সরল সম্পর্ক রয়েছে আবার অন্যভাবে একটু ভাবলে বিশ্বাসের বাইরেও  ভালবাসা স্বকীয় ভাবে ক্রিয়া করে। অতএব বলা যায় ভালবাসা প্রতিটি মানুষের মধ্যে নিজস্বতা আদায় করে নেয়, যে যেভাবে ব্যবহার করবে এটা সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যাপার। এতে ভালবাসা কখনো কালিমালিপ্ত হয়না।

বর্তমান যে বিষয়কেন্দ্রিক আলোচনা এতে সত্যি কথা বলতে পারি এটা নিয়ে আমদের এই জয়/পরাজয়, তাদের ভবিষ্যৎ কল্পনা করে নেওয়া বা নিজের যুক্তি কে ফতোয়া জারি করা সম্পূর্ণ মূর্খামি ছাড়া কিছু নয়! কারন আমাদের এই অধিকার কে দিয়েছে নিজের মনগড়া আলটপকা এক মন্তব্য করে দেওয়া সামান্য ভিডিও ক্লিপ দেখে এত সহজে বিচার করার আমরা কে?
আশা করি খারাপ লাগলে এড়িয়ে যাবে।  শেষে একটা কথা বলবো দাবীটা সার্বিক হলে তবুও মানা যেত কিন্তু এটা সম্পূর্ণ আত্মকেন্দ্রিক।  মন্তব্য করার মত কিছু নেই,,,,



রবি শীল,,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,

রবি শীল

( হৃদয়ঙ্গম প্রণয়ের যথার্থতা)

যে প্রেমিকাকে পেতে হলে ধর্নায় বসতে হয় সে আবার প্রেম নাকি !
ভালোবাসা মনের অন্তস্তল থেকে হয় , জেদ থেকে হিংসার সৃষ্টি ! হয়তো এই জেদের মেয়াদ ফুরালে ভালবাসার রঙ ও ফিকে হয়ে যাবে !
প্রেমিকাকে পেতে হলে ধর্নায় নয় সাধনায় বসতে হয় !
করিমুল হকের পদ্মশ্রী পাওয়ার সময় যতটা  হইচই হয়নি ততটা অনন্ত প্রেমে হচ্ছে !



সুতনু হালদার,,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,


সুতনু হালদার

(অনুভবে প্রণয়ের অনুরণন )

যে ভালোবাসা জোর করে প্রমাণ করতে হয়, সেই ভালোবাসায় প্রকৃত প্রেমের অপমৃত্যু হয় বলেই আমার বিশ্বাস। আমার কাছে ভালোবাসা দুটি মনের একটা সুন্দর অনুভূতির প্রকাশ, সেখানে জেদ, প্রতিহিংসা, দাম-দর এইসব শব্দবন্ধ অর্থহীন। একতরফা ভালোবাসাতেও ওই শব্দবন্ধ যুক্ত অনুভূতি আসলে প্রকৃত ভালোবাসাকে অসম্মানই করে। নিজের সুখ আর স্বার্থের যেখানে প্রাধান্য থাকে সেখানে প্রকৃত প্রেম বা আন্তরিক ভালোবাসা হাঁপিয়ে উঠতে বাধ্য।




সুব্রত চক্রবর্তী,,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,

সুব্রত চক্রবর্তী

 (হৃদিরন্ধ্রে স্নিগ্ধ প্রণয় স্পর্শ)

খালি চোখে না দেখে ক্ষণিক বরং মনের চোখে দেখি...  না ভালোবাসার জয়, না জিদের জয়... শুধু ধু ধু প্রান্তরময় কাঁটা বেঁধা পরাজয়... প্রেমিক পাখির ঠোঁটে হিরণ্ময় ভালবাসা রেখে উড়িয়ে দেয় পাহাড় আর সমুদ্রের দেশে .. প্রেম খাঁটি হলে পাখি ফিরে আসে নীড়ে.. নইলে শুধুই ফুড়ুৎ .. বুকের ভেতরে প্রেম লায়লা মজনু হলে,,,, যোজন দূর থেকে হৃদয়ের দ্রিম্ দ্রিম্ শব্দ ভেসে আসে.. কাকুতি মিনতি করে করুণা মেলে, প্রেম নৈব নৈব চ... আর জেদ  !!!.. . ভালোবাসা ব্রহ্মশব্দ... এর কাছে ম্রিয়মাণ  সব.. তাই ধরণায় "দিতেই হবে" "দিতেই হবে" দাবী প্রত্যাশা কিছু বা পূরণ হয়..
   কিন্ত প্রেম.. জেদ..... পাখি ফুড়ুৎ....



ফিরোজ আখতার,,,,,কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়,,,,

ফিরোজ আখতার

বিপক্ষে: (‌অশনি ভবিষ্যত)

ধর্নায় বসার আগে পর্যন্ত ভালোবাসা ছিল ৷ ধর্নায় বসার পর সেটা জেদে পরিণত হল ৷ অবশ্যই এটা জেদের জয় ৷ এ বিয়ে জেদের বিয়ে ৷ ছেলেটিকে সাহায্য করলো মিডিয়া ৷ কিন্তু, এই ঘটনা ভোলা ওদের কারও পক্ষেই সম্ভব হবেনা । স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি বাধ্য হয়ে ছেলেটিকে বিয়ে করেছে ৷

এবার আসি মেয়েটির কথায় ৷ মেয়েটি ৮ বছর ধরে ছেলেটিকে ব্যবহার করেছে এটা বোঝা যাচ্ছে ৷ সেখানেও ভালোবাসা ছিলনা বলেই মনে হয় । ছেলেটির পক্ষ থেকে একতরফা ভালোবাসা ছিল ৷ মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসেনি কোনদিন ৷ আর, এই ঘটনার পর ছেলেটি বিজয়ের আত্মশ্লাঘায় পূর্ণ হবে ৷ কিন্তু, ভালোবাসা কতখানি থাকবে বলা মুশকিল...



সন্দীপ্ত সৌরভ পাল- কমেন্ট


ক্যাপশন:

অনন্তের ধর্ণার জিদ থেকে লিপিকার পরিণয়,,, অবশেষে প্রণয় প্রস্ফুটিত করপদ্মে গাঁটছোলায়

সন্দীপ্ত সৌরভ পাল,,,,

বিপক্ষে: সহমর্মিতায় বিরুদ্ধাচরণ


আমি এরকম ভালোবাসাকে ঘেন্না করি,,, খুব ঘেন্না করি,,, যে ভালোবাসা নিজের কাছের মানুষকে দশটা লোকের সামনে অপদস্ত করতে পারে,,,,,
যে ভালোবাসা দুজনের প্রাইভেসি নষ্ট করে রাস্তায় টেনে নামায় একে অপরকে,,,, সেই ভালোবাসাকেও আমি ঘেন্না করি।
ভালোবাসা এত নীচে কবে থেকে নামলো?
যে ভালোবাসা আলো দিতে পারেনা, একে অপরের সিদ্ধান্ত কে শ্রদ্ধা করতে পারেনা, সে ভালোবাসা তো কোনদিন ভালোবাসা ছিলই না,,,,একরকম মোহ ছিল।

যেটুকু মুহূর্ত একসঙ্গে ছিল সেটুকুই সত্যি,,,, তারপরে কি হবে কি হতে চলেছে,,,,আমরা কেউই জানিনা। সুতরাং যে যেতে চাইবে তাকে টাটা বাই বাই করে যেতে দেওয়াই উচিত,,,, প্রেম জীবনে বারবার আসবে কিন্তু আত্মসম্মান গেলে আর ফিরবে না।