মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 



"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"


Slideshow


By Chandramukhi 


##Straight Forward Reality merged with interpretation


##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance 


##সৈকতের Timeline Post with unique angle of thought and interpretation 


##Expectation Matters as People want only Results 


সুপ্রীতি বর্মন


##Tagline তোদের ভয়ংকর শাস্তি হবে বলে দিলাম কিন্তু আগে থেকেই একদিন না একদিন সেদিন বুঝবি আমাকে হাড়ে হাড়ে 


##বলেছিলাম শিবরাত্রির দিন জল কম করে ঢালবি আমার মাথায় কিন্তু তোরা কেউ সেদিন আমার কথা শুনলি না 


##আজকে ঠান্ডা লাগিয়ে দিলি হেঁচে কেশে ঘেঁটে ঘ উদরপিন্ডি বুঁদোর ঘাড়ে সবটাই গুরুচণ্ডালী সর্পদোষে আমার বেহাল পরিভাষা যেখানে লুকিয়ে আছে ভুঁড়ি ভুঁড়ি ভুঁইফোড় তোদের অভিসন্ধি শুধু তোরা নিজেদের আখের গোছাতে যে সীমা অবধি অতিক্রম করতে হয় করে যাস খালি আর আমার কথা এতটুকু চিন্তা করিস না!!!! নিজেদের ধান্ধাকে কেন্দ্র করে চিন্তাসূত্র এর চক্রবূহ্য তৈরি করে যাস খালি সময় সুযোগে যেখানে আমার অস্তিত্ব অনেকটা ভগ্নাংশ এর মতন ক্ষীণকায় চন্দ্রমায় লুকায় শুধু উপরিউপর বাহ্যিক সৌন্দর্য এ বাকি সবটাই তো অন্তঃসারশূন্য কাঙালি হয়ে ছাইভস্ম মাখা শরীরে শ্মশানে ঘুরে ফিরে বেড়াই আমার নিদির্ষ্ট অবস্থান ছেড়ে শুধু নিরুদ্দেশ এক পথিকের আত্মপরিচয়ের খোঁজে তার কৃচ্ছ্রসাধনের ঘোর অন্ধকারে !!!!!!




বুধবার, ১৯ মে, ২০২১

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 


"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"


Slideshow


By Chandramukhi 


##Straight Forward Reality merged with interpretation


##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance 


##Rafiqul Islam Timeline Post with unique angle of thought and Interpretation 


##Depth of hollowness and Anxiety 



সুপ্রীতি বর্মন


Tagline: 


##Depression is that type of fatal disease that is like an epidemic viral contagious state of mind even in the silent anxiety condition with the intention of sucidial attempt frequently 


##Depression is the most complicated word to explain and also to understand its depth of hollowness 


##It eats you up slowly to such an extent and you can not stop the throbbing pain into your mental sphere


Depression is the most complicated word for common human being because they often are being defeated by their cruel destiny and circumstances and they are however compelled by their worst situation to commit suicide.... 


Most of the persons are going deeper and deeper for their mental disbursement like hell which is called in common language depression... 

In this solitary confinement he or she is suffering from mental agony and anxiety without any restriction from his or her indomitable spirit..... 

This depression is like a living death state of mind and it gradually eats you up until you have left everything to accept your last breath.....


দুশ্চিন্তার ঊর্ণনাভ জালে আটকে জড়িয়ে এমন এক মকর সংক্রান্তির মড়ক দশা শিয়রে সংক্রান্তি হাঁকিয়ে এমন এক কঠিন চক্রবূহ্য দশা যেখানে তোমার অন্তঃসারশূন্য হাড়কঙ্কাল গুঁজে থেকে যায় চিরকালীন জরা ও ঐ অনেকটা বার্ধক্য দশার নিষ্প্রাণ গতিহীন গ্রন্থি যা শুধু খোকলা হয়ে গহ্বর সৃষ্টি করে অকালমৃত্যু খাদের যেখানে শুধু তোমার অন্তরাত্মা কুঁকড়ে থেকে যায় চক্ষু চড়কগাছে অন্ধ দৃষ্টি কিন্তু চৈতন্য উদাসীন আত্মগ্লানির চীর হরণে আর ভয় শূন্য হতে পারে না শুধু সেই অবসাদে কৌণিক গহ্বরের বিন্দু হয়ে থেকে যায় অপঘাতে নিজেকে শেষ করে দেবার চূড়ান্ত মোহে ও ইচ্ছায়।।





শুভ অক্ষয় তৃতীয়া


 

"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"



Slideshow


By Chandramukhi 


##Straight Forward Reality merged with interpretation


##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance 


##Giasuddin Shuvo Timeline Post with unique angle of thought and interpretation 


##Complicated State of Curse and Blessings 



সুপ্রীতি বর্মন


প্রত্যেকেই হয়ত হাড়ে হাড়ে টের পায় কারণ তাদের হাড় মাস ও মজ্জা একেবারে রগড়ে গেছে কাউকে কিছু বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টায় থাকতে গিয়ে আর প্রতিদানে তাকে শুনতে হয়েছে যে বেশি জ্ঞান দিস না তো!!!!!

লেকচার মারছে কথায় কথায় এদিকে সংসারে না হোমে না যজ্ঞে লাগে!!!!!! 

লজ্জাও লাগে না!!!!! 


মলিয়ামেট ক্ষণভঙ্গুর হয়ে উঠতে লাগে কালক্রমে এই দশায় অস্তিত্ব কারণ বাদুড়ঝোলা কর্ণপটহে ধরেছে তালা আর হয়েছে ঝালাপালা যতো অকালকুষ্মান্ড এর দল যারা অতিরিক্ত বুঝতে গিয়ে আর অতিরিক্ত জানি এই অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী অবস্থানে গেঁড়ে বসে থাকার চক্করে কেউ শালা কানে কোন কথাই তুলতেই চায় না আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কান শুনতে ধান শুনে ফেলে আর সাততাড়াতাড়ি হঠকারিতা করে ঝাঁপায় তোমার মানসিক ধর্ষণে আর তারপর তাকে বোঝাতে গিয়ে তোমার মস্তিষ্ক ক্ষয়ে যেতে থাকে আর কন্ঠ শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায় অগাধ তৃষ্ণা যেন জল নেই মরুভূমির ধূসর প্রান্তর মরীচীকা!!!!!

একটু বুঝছে এরকম যেই ভেবেছো সেই উল্টে যায় তোমার দেওয়া পাশার চাল তখন পুনর্বাসনের অবশ্যম্ভাবী প্রয়োজন না হলে তোমার সঙ্গদোষে তোমাকে সহ্য করতে না চেয়ে বা না পেরে অজ্ঞাতবাসে কালসর্পযোগ দশায় অন্ধকারে অজ্ঞানতায় চলে গিয়ে সে আত্মহননের পথ শিরোধার্য করে নেয় নিজের ইচ্ছা হলেই যেন মগের মুল্লুক আর তুমি ঠেকা নিয়ে রেখে দিয়েছো সেই সকল মানুষের কর্মেন্দ্রিয় সজাগ করে তোলার জন্য নিজের বোধ বুদ্ধি লাগিয়ে দিন রাত এক করে পরিশ্রম করে গিয়ে।।।।।।। 


এমন অনেক মানুষ আছে যাদের একটু বোঝাতে গেলেই বিপদ অনেকটা দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষার মতন সেখানে তোমার অতিরিক্ত জ্ঞান বিলিয়ে যেতে থেকে শুধু তুমিই বেকার বেকার অসাড়ের তর্জন ও গর্জনে জলে ফেলে দেবে তোমার যাবতীয় পরিশ্রম নিজের অলক্ষ্যে কিংবা অনেকটা উলুবনে মুক্তো ছড়ানোর মতন তখন তোমাকে কাঙাল হতে মনের দিক থেকে আর কেউ আটকাতে পারবে না কারণ সেই প্রসঙ্গে তোমার কিছু বোঝাতে যাওয়া তখন বোঝ হয়ে যাবে।।।।।। 


তাই এই পোস্ট এর আত্মসমালোচনা করে আমি একটা কথা পোস্টর্মটেম এর ক্লাইমাক্স উক্তি হিসাবে বলতে চাই তোমাকে যে ঈশ্বর যা দিয়েছে সেটা নিজের মনেতেই রাখো আর কাউকে জাহির করে হেঁকে ডেকে ধরে বেঁধে কিছু জোর করে বোঝানোর কোন প্রয়োজন নেই কারণ মানুষ ঠিক ততটাই বুঝতে পারে যতটা সে তার নিজস্ব দৃষ্টিকোণ নিয়ে গ্রহণ করে বুঝতে চায় মন প্রাণ দিয়ে তাছাড়া তার অতিরিক্ত আর কোন কিছুই তার মগজে ঢোকে না সে যত‌ই তুমি ঘন্টার পর ঘন্টা কালঘাম ছুটিয়ে তার পিছনে পরিশ্রম করে যাও!!!!! আমাদের তাতে কিছুই করার নেই!!!!!

তবে যদি সেই মানুষ নিজে থেকেই চেষ্টা করে সে রাস্তা পায় তোমার না বোঝানো তেই কিংবা কোন এক্সট্রা কিছু না করেই শুধু নিজে থেকেই তাহলে সেটাই সবচেয়ে উত্তম কথা হবে আর যদি সেই অবকাশ ও ফাঁক না থাকে তার ক্ষেত্রে কিংবা কোনভাবে বুঝে ফেলার ক্ষমতা ঊহ্য থাকে তার তাহলে শত চেষ্টা করে যাও সবটাই সেখানে ভস্মে ঘি ঢালার মতন হয়ে যাবে তাই সময় নষ্ট না করাই উচিত কাউকে কিছু বোঝানোর প্রসঙ্গে!!!!!!

যার যেটা বোঝার যতটা গ্রহণ করার ক্ষমতা সেটা ঠিক ততটাই থাকবে যতক্ষণ না সে নিজে থেকে চেষ্টা না করে বুঝতে বা সেই বুঝে যাবার ক্ষমতা বাড়াতে চাইবে বা পারতে সক্ষম হবে তাই সেই প্রসঙ্গে তুমি জোর করে বাইরে থেকে বা উপর থেকে বাহ্যিক কিছু দিয়ে তাকে বোঝাতে পারবে না কারণ সে সেটা নিতে পারবে না নিজের পরিধির বাইরে আর এটাই ধ্রুব অলঙ্ঘনীয় সত্য কথা!!!!!





মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১

শুভ অক্ষয় তৃতীয়া


 

"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"


Slideshow


By Chandramukhi 


##Straight Forward Reality merged with Interpretation


##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance specially in the segment of a trapped human being cornered 


##Koushik Chowdhury Timeline Post with unique angle of thought and Interpretation 



সুপ্রীতি বর্মন



Tagline:


সময় থাকতে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া উচিত!!!!!! 


না হলে সময় বা কারোর গুঁতোয় সর্বক্ষণ নিজেকে গুটিয়ে নিতে হয়!!!!!!! 


হঠাৎ পাওয়া কষ্ট বেশি করে অনুভূত হয়!!!!!



সময় এর চক্র আদি অনন্ত কাল ধরে চলতেই থাকে যার প্রবাহ কে কেউ ধরে বেঁধে নিজের মতন করে সংরক্ষণ করে আটকে রাখতে পারে না তাই সময় থাকতে থাকতেই সেই সময় কে রক্ষণশীল হয়ে আগলে নিজেকে গুছিয়ে নিতে না পারলে বা চাইলে সেটা অনেকটা অযৌক্তিক অকর্মণ্যতার অহর্নিশি ডুবসাগরে পিচ্ছিল হয়ে চিরকালের মতন হারিয়ে যায় আমাদের হাত থেকে তখন সেই সময় কে ফেরানোর চূড়ান্ত চাগাড় দেওয়া ক্ষুধা থাকলেও আর কোন উপায় থাকে না আমাদের!!!!!!!!



হাপিত্যেশ করে আকাশপানে চেয়ে সপ্তর্ষি মন্ডলের জিজ্ঞাসা চিহ্ন এর চক্রবূহ্য ঝুলতে থাকে তোমাকে হাপর টানতে থাকা দীর্ঘশ্বাসে হাড়কঙ্কালসার করে ঝুলিয়ে অনেকটা দেখানোর মতন উপর থেকে কিন্তু ভিতর থেকে ফাঁকা ঝাড় লন্ঠনের আওয়াজে এক মর্মান্তিক যন্ত্রণার শিকার করে যে তুমি আপ্রাণ চেষ্টা করলেও সেখান থেকে মুক্তি পেতে পারো না!!!!!!!!! 



এই উপজীব্য বিষয়ে মনুষ্য জাত যে কতটা বেশি অন্ধকার গ্রাস করে এক অসূর্যম্পশ্যার মতন ঘড়ির কাঁটা গুলো কে কড়মড় করে চিবিয়ে খেতে উদগ্রীব হয়ে উঠে তার পরিমাণ অনির্ধারিত ও অনির্বচনীয়!!!!

সেই পরিণাম পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রবাহ রূপে থেকে যায় সকলের নাগালের বাইরে!!!!!! 


সেই অকালে জলে পড়ে যাওয়া কিংবা বানের জলে অনেকটা ভেসে যাওয়া নিথর শরীর শুধু একটু সম্বিৎ ফিরে পেয়ে জেগে উঠতে চায় কিন্তু বিকলাঙ্গ সময়ে শ্যাওলার অবসাদে গুটিয়ে পড়া শামুক মনুষ্য জীবন যে কতখানি গুঁতো সহ্য করে ঘরের কোণে মুখ থুবড়ে পড়ে অযাচিত আগন্তুক এর মতন কিংবা কাঙালের গোগ্রাসে পরজীবী হয়ে উঠে সর্বক্ষণ বৃশ্চিক দংশনে তা পরিমাপ করা যায় না!!!!!

তার অনেক আগেই তার পার্থিব শরীর পগার পার হয়ে চলে যেতে চায় সবকিছু ছেড়ে দিয়ে জন্মের মতন যাতে করে কেউ আর তাকে আটকে রাখতে না পারে!!!!!!!!!!





শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 


"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"



Slideshow


By Chandramukhi 



##Straight Forward Reality merged with interpretation


##Clear Cut Way Out in a Ridiculous Thought or Mockery to crack the hurdle of Ins and Outs of getting married 


##Giasuddin Shuvo এর Timeline Post with unique angle of thought and Interpretation 



সুপ্রীতি বর্মন



Tagline:


অফিসে বসে জামাই ফেসবুকে লিখলো মন চায় পাখি হয়ে উড়ে যাই ঐ নীল গগনে!!!!!


সাথে সাথেই বৌয়ের কমেন্ট খানি যখন পড়বে পা পৃথিবীর বুকে মাছ আর শুটকি নিয়ে এসো নিজ ভবনে!!!!!!!



##Practical life enforces you to lead a life without any refreshing moment of inhale and exhale.....



##Rather than salvation here is stereotyped state of mind to cage your free spirit not to break the protocol but to carry on with the fixed ingredients of life circle..... 


##Imaginary Life adores you to lead a smooth life with so much love like a smoke as after effect of burning the obstacles to set you free above all boundaries.....


##It gives you the comfort zone where you can reside without any obligation only for yourself that is the priority above everything.....





শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 


 "Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"



Slideshow


By Chandramukhi 



##Straight Forward Reality merged with Interpretation


##Clear Cut Way Out in a Ridiculous Thought or Mockery to crack the hurdle of ins and outs of getting understood clearly without any allegation 


##ব্রজবাসী জয়দেব এর Timeline Post with unique angle of thought and Interpretation 


##Sarcastic Reality and Hardcore extreme State of Mind for Acceptance of Reality



সুপ্রীতি বর্মন


Tagline:


মেয়েরা সং সেজে করিলে ঢঙ হয় সেটা ফ্যাশান!!!!!!!


ছেলেরা সং সেজে ঢঙ করলে শুধুই কনফিউশন!!!!!!!!


Imposition of manhood in a woman  signifies the Tom Boy Rough Tough Spirit to break the rule and manner of the stereotyped thought of the society...... 


Imposition of womanhood in a man signifies the Hermaphrodite to live with the soul of a woman in a gesture and posture with heavy attire or jewelleries to establish the entity as a mockery in the so called society but with the indomitable spirit .....





শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 


"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"


Slideshow


By Chandramukhi 


##Straight Forward Reality merged with Interpretation


##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance 


##Tridip Biswas Timeline Post with unique angle of thought and Interpretation 


##Sarcastic Reality Of Goody Goody Image of a Girl



সুপ্রীতি বর্মন


##Tagline


"কতিপয় দুহিতা রে হে বঙ্গ জননী 

রেখেছো মামনি করে রমণী করো নি"



আহ্লাদী গড়াগড়ি লাট খাওয়া মামনিরা মায়ের তৈরি বাড়া ভাত খেয়ে বসে থাকে উবু হয়ে অভিসন্ধি নিয়ে স্বপ্নে দেখা রাজপুত্র আসবে কবে ঘোড়ায় চড়ে,,,,,,

ঘাড়ে তার বসে কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া যাবে সারাজীবন ধরে নিজের নিষ্ক্রিয় সত্তায় কেবলমাত্র শিলমোহর এর ছাপ আগামী প্রজন্ম দিন প্রতিদিন কালরাত্রির শোক ছাড়াই পিন্ডি গিলে আইবুড়ো উচ্ছন্নে উচ্ছ্বসিত অকালকুষ্মান্ড আকাশ কুসুম পোয়াতি জরাজীর্ণ প্রসব সেখানে রমণী যার সিকাভাগ নেই লক্ষণ তার মধ্যে,,,,,

তবে তা সীমাবদ্ধ থাকে কেবলমাত্র কিছু অংশে যেখানে বিবাহ কে প্রাধান্য দেওয়া হয় সর্বাগ্রে তবে বেশিরভাগ সেটা প্রায়োগিক কৌশলের দিক থেকে থাকে সম্পূর্ণ মনস্তত্ত্ব কেন্দ্র করে নয় কারণ আধুনিক যুগে মেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে তবেই বিয়ের পিঁড়ি তে বসতে যায় তবে এই প্রসঙ্গ চিরাচরিত অধ্যায়ে একরকম এবং অমলিন থেকে যায় সেটাই সত্য।।।।।। 



শুধু তোমার তুমি সোহাগি হয়ে যত্রতত্র ফুলের ঘায়ে মূর্চ্ছা যাওয়া কিশোরী ভদরচোদর ফুটকলাই মামনি হয়ে থেকে যাও হাবেভাবে।।। সে বড়ো বেশি গর্জায় কারণ বর্ষণের জন্য নেই কোন খিল ছাড়া উন্মুক্ত মেঘলা আকাশ সেখানে শুধুই মেনে চলা চোখ রাঙানো সূর্যরাঙা উষার কলকাকলি জেগে উঠে ঘুম ভেঙে উঠতে না উঠতেই।।।। 



তাই স্বয়ংক্রিয় প্রতিভায় আর সত্তা জাগে না কোনদিন কঠোর আত্মপ্রত্যয় ও পরিশ্রমে যে তাকেও একদিন সেই চৌকাঠ ডিঙিয়ে মধ্যচ্ছদা বিদীর্ণ করে হতে হবে রমণী আর সেটা হাবেভাবে শুধু নয় রূঢ় বাস্তবের প্রেক্ষাপটে হয়ে থেকে যেতে হবে একদিন।।।।

এই বোধ না জাগার একটাই কারণ সেই সকল মামনির অপরিণত মনস্তত্ত্ব এবং প্রচ্ছদে শুধু উদগ্র কামনা বিবাহ কে কেন্দ্র করে আর কোনভাবে হয়ত বিবাহের আসল সারসংক্ষেপ সত্য তাদের অন্ধ‌ অবুঝ অল্পস্বল্প অভ্যাসে অপরিপক্ব মস্তিষ্ক এ গুঁজে থেকে যায় সঠিক দৃষ্টিকোণ জাগতে পারে না তাই সবকিছু তাদের কাছে সহজলভ্য বলে মনে হয় বিনা কোন পরিশ্রমে ও অস্তিত্বের কায়মনোবাক্যে সমর্পণ ছাড়া।।।।

 তাই যত তাড়াতাড়ি তাদের ঘুম ভাঙে তত বেশি মঙ্গল না হলে শিয়রে সংক্রান্তি হয়ে জগদ্দল পাথরের ভারের বহনে তাদের সম্মুখে থাকা খাদে পড়ে যেতে আর কেউ তাকে আটকাতে পারবে না কারণ মুখ থুবড়ে পড়ে যাওয়াই তাদের অপরিণামদর্শী উপলব্ধির পরিণাম।।।।।।। 

যেটা শুধু তার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।।।।। 







শুভ অক্ষয় তৃতীয়া

 


"Instagram Magic Screenshots Classics Interpretations"


Slideshow

By Chandramukhi 

##Straight Forward Reality merged with Interpretation

##Clear Cut Way Out Realization from the Darkness of Ignorance 

##Giasuddin Shuvo Timeline Post with unique angle of thought and interpretation 

##Sarcastic Reality of Glamour and Beauty with Show Off Status


সুপ্রীতি বর্মন



প্রথম প্রথম শাড়ি পড়লেই কোন মেয়ের প্রথম প্রথম যে অনুভূতি আসে তা হলো পরের ঘরে তোমাকে যেতে হবে তাই এখন থেকেই অভ্যাস করে নাও আর মামনি বা খুকুমণি হয়ে থেকো না এসব কিছু তোমাকে একদম সাজায় না এখন থেকে।।।।।। 
        অন্যদিকে কিছু অষ্টরম্ভা অষ্টাদশী আছে লিপস্টিক মার্কা নেকি তারা ঘটা করে আঁচল প্রসারিত করে নারীত্ব মাড়িয়ে ঢলিয়ে আর বক্ষকোলাজের ভাঁজে ডিজাইনার ব্লাউজ হাঁকিয়ে বোঝায় যে সে অপরূপ তন্বী ভাস্কর্য যার শিলান্যাস সঙ্গমে যে কোন ছেলে ডুবে যেতে বাধ্য তার নেশা ও সৌন্দর্যের ঘোরে।।।। তাই আপ্রাণ চেষ্টা করলেও এই কলসপত্রীর সম্মোহনী শক্তি থেকে তখন যেন ইচ্ছা করলেও কেউ মুক্তি পাবে না।।।।।। 
তবে সেটাকে কেন্দ্রবিন্দু করে বিতর্কিত প্রসঙ্গে অনেকেই ব্যঙ্গ কিংবা প্রহসনে উপহাস বা বিদ্রূপ করে সমাজের অধঃপতনের উৎস করে যদিও তার জন্য তাদের কোনভাবে দোষ দেওয়া যায় না কারণ এই প্রসঙ্গে যদি কিছু প্রধান আলোচ্য বিষয় হয় তা হলো দৃষ্টিভঙ্গি সেই প্রসঙ্গ কে দেখার।।।।।। 


আবার কিছু মেয়ে শাড়ি পড়ে এসো মা লক্ষ্মীর পয়মন্তর গুটি গুটি পায়ের ছলে 
জল কে চলো রাই শ্যামের ঘরে এই প্রবাদের ক্লেচ্ছা তারা একদম চায় না গ্রহণ করে নিতে মনে প্রাণে কারণ যত‌ই হোক ভদ্রলোকের কাপড়চোপড়ে শান্তশিষ্ট মেয়ে বলে কথা এইসব ভাবলে তাদের ভীষণ ভাবে জাত যায়।।।। ছি ছি এইসব কথা তাদের মুখে আনাও পাপ তাই তাদের একদম মানায় না।।।।।। 


অন্যদিকে কিছু Occasional and Festive Grandeur Celebration Girl  দেশী গার্ল আছে যারা ঐসব ডিজাইনার শাড়ি অতিরিক্ত দায় দিয়ে ঘটা করে কেনে মাত্র কয়েকদিনের জন্য নিজেকে সাজাবে বলে আধুনিক ঘরানায় জাঁকজমক ভাবে এই ধরুন সরস্বতী পুজো কিংবা কলেজের সোশ্যাল কিংবা দুর্গাপুজোর জন্য ।।।।। 
তারা নিজেদের কে উড়ন্ত প্রজাপতি ভাবে কেমন যেন উড়ো চিঠি সংলাপ আর রঙিন নেশা লাগিলো রে বাঁকা ভুরুর গায়ে শিহরণ জাগিলো রে এই ক্ষণিকের সম্মোহনী ছলাকলায় তাদের কাছে সেটা আভিজাত্য শো অফ করার কৌশল কিংবা ছলাকলার আড়ম্বর হয়েই শুধু আত্মকেন্দ্রিক সত্তার প্রেম ও নেশা হয়ে থেকে যায় কোরকে প্রস্ফুটিত হবার আগে প্রচ্ছন্ন দশার সংকল্প ঋণে।।।।।। 
     তারা সব হলো ক্ষণিকের ঝরা ফুল দলে অতিথি নিজেদের কে উর্বশী ভাবতে শুরু করে দেয় আর হাইহিল ফ্যাশানে মাটিতে তাদের পা ও পড়ে না সত্যি ভাবা যায়।।।।।।। 
রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী।।।।।।





শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০

জ্যান্ত আস্ত মনুষ্য ভূত##চন্ডকাম##সুপ্রীতি বর্মন


 

জ্যান্ত আস্ত ভূত মনুষ্য তুমি নিজেই

অভিশপ্ত জাগ্রত হাড়কঙ্কালসার অধ্যায়

তালপাতার উলঙ্গ শীর্ণকায় সেপাই 

চন্ডকাম


সুপ্রীতি বর্মন 


ন্যাকাষষ্ঠী হিজিগিজি ন্যাংটো মাতাল ও ভৌতিক রহস্য বলে কোন ঘোর যদি কিছু থেকে থাকে তো তা এই মনুষ্য সমাজ যেটা মান্ধাতার আমল থেকে ঝুলছে হাজার খানেক অভিযোগ ও আক্রোশের বাণ বুকে নিয়ে অপঘাতে জ্যান্ত লাশ হয়ে।।

হিংস্র লোভী জানোয়ার মন নিয়ে মেরেই যাচ্ছে কখনো নিজেকে আবার কখনো রাজনৈতিক কৌশল লাগিয়ে তার ঘ্রাণে মন্ত্রমুগ্ধ অর্থ আত্মসাৎ করে।। আর নিজের খুব কাছের জন কে আঁতে ঘা মেরে ষড়যন্ত্রের চক্রব্যূহ এর গোপন অন্ধগৃহকোণে রেখে শাস্তি দিয়ে যেখানে শয়ে শয়ে নিরীহ আত্মা রোজ কুশপুতুলের মতন পুড়ছে জতুগৃহের অনলে ন্যায় পাবার প্রতীক্ষায় কবে থেকে সকলের বিবেক জাগ্রত হবে বলে।।।।। 

        পাঁচমোড়া লেনে পাঁচমিশালী নৈঃশব্দ্য যাপনে দশটা পাঁচটা লোকাল ট্রেনের কালো মাথা ক অক্ষর ভুলে রক্তমাংসে রোজ দিচ্ছে শুক্রাণু ও বীর্যের নিপাট চিত্রনাট্যের উলঙ্গ কালাশৌচ ধর্ষণ এর ইতিকথা।।।‌

রক্তবীজ একটু করে দিন গুণে সেঁধিয়ে ঢুকছে অন্তর্বাসে ঝুলন্ত উদ্যানে আর অভিশপ্ত আত্মহত্যায় ঝুলন্ত দেহ নিষ্পাপ হবার পরেও আত্মগ্লানির শনি গ্রহদোষে পচে গলে জীবন্ত লাশ হয়েই থেকে গেছে চুপটি করে লক্ষ্মী মেয়ের মতন প্রকৃত অন্ধপতিতা জীবন পাপ সিঁথিতে ভরে টইটম্বুর রসালো মর্তমান কলার অজন্মাভ্রূণ গর্ভে নিয়ে।। অকালহত্যার বাঁশ সেঁধিয়ে ঢুকছে মস্তিষ্ক এর গর্ভগৃহে যেখানে হতে লেগেছে সেই একঘেঁয়ে যজ্ঞ দীপাবলী পার্বণ লৌকিকতায় আর আমার কালী কে উলঙ্গ দৃষ্টিকোণে চেটে গিলে এক নগ্নিকা প্রণয় অপভ্রংশ সহজাত অধ্যায় করে এবং সঙ্গমের মানসিক কুরুচিকর প্রবৃত্তি গ্রহণে অবলীলায় খিস্তী মেরে ছোকরা দল শুধুই ছোটলোকের গালি দিয়ে বলে উঠে তোকে চুদতে চাই শুধু দে দেখিনি গতর দে মাগী অনেক হয়েছে।। সত্যিই ছি ছি এটাই আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে এ জীবন পূর্ণ করো তার আসল অভিব্যক্তির পাঠ।।।। 

এটাই তোমাদের চিরাচরিত আলোর ভেকদশা ও কালীর কৌমার্য হরণ রাজপথের অভিমানী কানাগলি হৃদয় সরসী অধ্যায়।।।। 

রক্তজবায় পুংকেশরে গুপ্ত শিরচ্ছেদ পরাগরেণুর সৌগন্ধ ছাড়া মায়ের আলতা রাঙা আলাপনে ভূমিতে লুটায় রজঃস্বলা নারীর আঁচল।।।।। 

অকালকুষ্মান্ড মন সারাজীবন অমাবস্যা শোষণ করে রক্তাক্ত স্রোতের জোয়ারে প্রমাণ দিয়েই যেতে থাকে যে সে এখনো মরে নেই জীবন কিছুটা এখনো বাকি আছে।। নিঃশ্বাসে নিজের মতন করে বাঁচতে তাই পঞ্চভূতের ধুলো ঝেরে অপাপবিদ্ধ ঘ্রাণে মারীচমাতালনৈশ বাঁশ বাগানে চন্দ্রের ঘোরে এখনো সে সবকিছু ভুলে থেকে যেতে চায় বাঁশির মুগ্ধশরমের ঈপ্সিতকালের ঘোরে।। উপোসী রাশিচক্রে কুন্ডলিনী জাগরণে চন্ডকাম ত্যাগে ঊরুশোণিত হাড়হিম রাত্রিকে জড়িয়ে নিজের করে আঁকড়ে ধরে।।।। 

সেখানেই তার পবিত্র পুরুষালী ঔরসে হবে পুনর্জন্ম সহাবস্থান শোকের উন্মীলিত ক্ষুধার তৃপ্তি ও কোজাগরী পার্বণ।।।।।

##মায়ের পায়ে জবা হয়ে হোক না ফুটে মন

##তার গন্ধ না থাক যা আছে তা 

##নয় রে ভূআলাপন



আশ্চর্য খোলস##বিশ্লেষণ##সুপ্রীতি বর্মন

 



আশ্চর্য খোলস


সায়ন্তনী ভট্টাচার্য 


((চন্দ্রগ্রহণ পত্রিকায় প্রকাশিত)) 


চন্দ্রমুখী এক্সক্লুসিভ 


((প্রকাশিত শ্রীময়ী দর্পণ)) 


শিরোনাম:


Poetry Inscription Soliloquy Intimacy 


৫....সম্পূর্ণ বিষাদের ভোর, আষাঢ়ের গ্লানি নিয়ে জেগে উঠছে 


ইলেকট্রিক তার থেকে নিভে নিভে ঝুলে পড়ছে বিদ্যুৎ 


আর আমার অসুখের হাহাকার কিছুতেই কমছে না।। 


অসুখ দেখতে এসো চেঁচিয়ে বলছি, ঘাসজমি চেয়ে আছে লাঙলের ফলায়।। 


যমুনার ঢেউ পিঠে ধাক্কা মারছে

খুলি উপড়ে দিচ্ছে আর আর্তনাদে বিরক্ত হয়ে এইমাত্র ট্রামলাইন দুমড়ে মুচড়ে দিলো পাগল।। 


কী উদাসীন হয়ে আছে, 

কী অসহ্য ধৈর্য হয়ে আছে বৈশাখী ঝড়।।

কাক খুঁটে খাচ্ছে ময়লা, খুঁটে খাচ্ছে শরীর।। 


আমি হন্যে হয়ে খুঁজে চলেছি তাকে, যাকে দিয়ে যাবো আমার রান্নার খাতা, আমার বিনুনী বাঁধার ঢং।।


ত্বকের শ্যাওলা নিয়ে, জরুল ও মেচেতা নিয়ে আমার এই খোঁজ আর ফুরোচ্ছে না।। 


সমস্ত উৎসব আগুন হয়ে আছে, পাঁজর তুলে রাখছি হিমঘরে।। 


##বিশ্লেষণ


##(( কাকবন্ধ্যা শুষ্ক জমিন বিষাদাগ্নির ঝুলে পড়া বিদ্যুতে দুমড়ানো মুচড়ানো অস্তিত্বে লেগেছে অসুখের হাহাকার।।

         অসহ্য ধৈর্য এর বৈশাখী ঝড়ের ঔদাসীন্য জরুল ও মেচেতার গহ্বরে ভারাক্রান্ত ত্বকের সংস্পর্শে আজ যেন উৎসব অনাসক্তির আগুন হয়ে জ্বলছে তবুও হাড় হিম করা অনিশ্চয়তার প্রহরে আমার খোঁজ ফুরোচ্ছে না কিছুতেই।।)) 


৬.....কয়েকশো কোটি ঈশ্বর নিয়ে বসে আছি মাথায়

চোখের পাতায় আর বুকের খাঁচায় সেলাই করছি পাখি

আর সে এক রাক্ষস এসে গুলিয়ে দিচ্ছে হিসেব-নিকেশ।। 


নিজেকে হত্যা করবো বলে কুঠার উঠিয়েছি, দাবানল জুড়েছি বুকে, দাউদাউ অস্তাচল আর ঘোরের দুপুরগুলো খোলামেলা বিছিয়েছে লাশ।।


আমার‌ই খিদে খিদে পাপ, রোজ রোজ চোরাবালি ঝাঁপ। অনন্ত প্রদীপ আমি জ্বালাতে পেরেছি মাঝরাতে???? 


আমার ঈশ্বরকণা নিয়ে সে রোজ খেলা করে, বাঁচায় ও মারে।।

মৃত্যু সাক্ষাতে কী ভীষণ দস্যিপনা করে আমার খোলসে সে তলোয়ার দেয়।। 


শুধু অগ্নি জ্বলে থাকে নিভৃত আশায়, মাথা পুড়ে যায় আর মন পুড়ে যায়।। 


##বিশ্লেষণ


##(( পরব্রহ্ম অন্তরসত্য ঈশ্বরকণায় অন্তর্লীন হয়ে থাকা অস্তিত্বের কোরক।।

সামঞ্জস্য এর সংগ্রামে টানাপোড়েনের হিসেব নিকেশ গুলিয়ে যায় দশচক্রে যখন চোরাবালির ঝাঁপে জীবন্ত লাশ দেহ কোনভাবে মৃত্যু এর সাক্ষাৎ পায়।। 

          তবুও প্রখর আস্তিকতায় অগ্নিরূপা আশা সদা তার জাজ্বল্যমান ক্ষুধায় ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে মাথায় নিয়ে স্বীকার করে যে সে আছে।। ))


৭....আমি কী ফুরিয়ে গেছি মুহূর্ত এর অসতর্কতায়, ভাঙন ধরেছে কড়িকাঠে।। 


শুধু এক কাঙাল রাখাল পিলসুজে রেখেছে আলো, দুর্নিবার আত্মদহন।। 


কিছু কিছু বজ্রপাত মুঠোয় বন্দি করে পালিয়েছি বেদম আকাশে।। 


ভেসে যায় মহাকাল মাসে বন্যা বন্যা ঘোর, আমার দ্বাপর-কলি,প্রখর।।


আমি কী ফুরিয়ে যাই ভালোবাসাপুরে???? 

শহর রঙিন করে ভেল্কিবাজ হেঁটে যায় দূরে।। 

পিছু পিছু আমিও স্যাঙাত।। 

সুতো দিয়ে মন টেনে টেনে চাঁদে চাঁদে বেঁধে দেয় আজ।। 


তেষ্টায় শান দেয়।। 

পেরেক ডুবিয়ে দেয় ভূমির গভীরে।। 


মাটি চুরি করে তার সংসার গড়ে

আমি কী ফুরিয়ে যাই তার এই বেঁচে থাকা নাভির দুপুরে???? 

তার এই বাতাসিয়া ভোরে????


##বিশ্লেষণ 


##(( মুহূর্ত এর অসতর্কতার ভাঙনে যখন মুক্তি ফুরিয়ে যায় তখন প্রখর আত্মদহনে অস্তিত্ব পুড়তে থাকে কাঙাল রাখালের প্রেমের পিলসুজে।। 

       প্রেমিকার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি ফুরিয়ে যাওয়া নাভিদগ্ধ নিঃসঙ্গ দুপুরে যখন কৌশলে চুরি হয়ে যায় তার অলক্ষ্যে সংসারের মাটি আর তার থেকে অপরের আখের গোছানোর নিত্যতার ভর সূত্র সংস্থাপিত হয় পেরেকের ডুবে যাওয়া যন্ত্রণা নিয়ে মাটির শরীরে।। 

         যদি সহ্য ও সহনশীলতার উর্ধ্বে হয় সেই অসম্ভব সমীকরণ প্রত্যাশার তখন সে সব চুলায় দিয়ে অপরিণামদর্শী বজ্রপাত কে কঠিন মুঠোয় আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখতে চায় আপ্রাণ চেষ্টায় যাতে কঠোর ও দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ হতে পারে তার অস্তিত্ব।। 

            তবুও ছ্যাঁচড়ার মতন সে সুযোগ পেলেই সব ভুলে ছুটে চলে তার পিছু পিছু স্যাঙাতের মতন নিজেকে ফুরিয়ে দিতে সেই রঙিন নেশা বিক্রি করা ভেল্কিবাজের কাছে।। 

সেখানেই রয়েছে তার উচ্ছন্নে চলে যাওয়ার ইচ্ছামৃত্যু বা মরণ।। 


৮.....আঁচলে বেঁধেছি যত ঢেউ, যত দুঃখজল

গড়িয়ে পড়া কান্না থেকে তুলে নিয়েছি আলো, শহরের পর্যাপ্ত বিকেল।। 


অসমাপ্ত দিনে আমাদের‌ও ক্লান্তিবোধ হয়।। 

আমরাও আষাঢ়ের শেষে কোনারক মন্দিরে এলে, নামিয়ে আনি যক্ষ যক্ষ রাত।। 


কীভাবে যে নেমে আসে ঠোঁটে ঠোঁট 

কীভাবে যে টেনে ধরে বেণী

আমাদের গর্ভ গর্ভ খেলা 

ছলছল ধুয়ে মুছে সাফসুতরো বেলা।। 


দেওয়ালে আটকে আছি, পাথর চিতোনো 

আর আছে শ্যাম-মোহ তার, বাঘনখ থেকে তার ঢের বেশি ধার

ছিঁড়ে যাচ্ছে সুর।। 

আমি তার প্রখর দুপুর।। 


##বিশ্লেষণ 


##(( রমণীয় আঁচলে সংযমী প্রখর দুপুরের রৌদ্রদগ্ধ ঘাম উদ্বিগ্ন ঢেউ কঠোর হয়ে বেঁধে রেখেছে সে তবুও বার বার টেনে হিঁচড়ে চলতে থাকা যা হোক করে এই অসমাপ্ত শূন্যতার জীবনের কোনারক চক্রের গতিশীলতায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে তার অবসাদের ক্ষয়াটে পাঁজরের ক্লান্তিবোধ।। 

          তবুও সে সকল কিছু কে অগ্রাহ্য করে কোন অস্পৃশ্য যক্ষ রাত উজাগর থাকে তার আত্মস্থ ক্ষুধার অশরীরী কিংবা প্রেতযোনি।। তার গর্ভ গর্ভ খেলায় সে সর্বক্ষণ নিমগ্ন।।

তখন সঙ্গম শুদ্ধিস্নানের স্রোত আছড়ে পড়ে পাথর চিতোনো স্থবিরতায় সেই নিষ্প্রাণ পার্থিব শরীরে যার মগ্নচৈতন্যে শুধু থাকে শ্যাম মোহ ঘোর।। ))

আশ্চর্য খোলস##বিশ্লেষণ## সুপ্রীতি বর্মন

 


আশ্চর্য খোলস


সায়ন্তনী ভট্টাচার্য 


((চন্দ্রগ্রহণ পত্রিকায় প্রকাশিত)) 


চন্দ্রমুখী এক্সক্লুসিভ 


((প্রকাশিত শ্রীময়ী দর্পণ)) 


শিরোনাম: 


Poetry Inscription Soliloquy Intimacy


১....রাত বাড়লে আমার অসহায়তা বাড়ে


ছুটির জন্য লম্বা লম্বা রাস্তা এঁকে ফেলি


রেণু কুড়িয়ে নিতে উবু হয়ে বসে যায়

দর্জি-মানুষেরা


জুড়ে জুড়ে গর্ভ তৈরি করে 

আর আমি দৌড়াতে দৌড়াতে দেখি টানা গদ্যের পথ 

ক্রমশ কেমন ছোট হয়ে আসে


রাত বাড়লে বাঘের শিরায় চনমন করে ওঠে ভয়। পাপড়ি পুড়ে যায় বলে ছটফট করে ফুলেরা। 


সমাধি তে শুয়ে খোলা আকাশ। 

পৃথিবীর এসব হাড়-পাঁজর গুঁড়ো করে বেঁচেবর্তে থাকা। 


##বিশ্লেষণ


##((নৈঃশব্দ্য যাপন)) 


২....মাঠের মাঝে জেগে থাকা ঘুম ঘুম গাছ


ধরো ফুটফুটে তারা আঁকা আকাশে লাঙল চালিয়েছে সে এক মস্ত পাগলা


আমাদের বিছানার ছাদ ঘুণে ধরা

কুঁচকে আসছে দেওয়াল

পলেস্তারা-বোধ নিয়ে ত্বকে ঘষে নিচ্ছি নবীন কোন‌ও ত্বক। শরীর-ভাবনা। 

     

      ধরো আমি সেই অরুণ দুপুরে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়ে দুর্ভাবনা তুলে দিচ্ছি তোমার হাতে। 


হাতের কাঁপন খুব। এ ভার স‌ইবে কী করে? 


##বিশ্লেষণ


##((কাল্পনিক চিত্রনাট্য এর র‌‌ঙমশাল)) 


৩....ক্ষত নিয়ে তুবড়ে থাকি মহাকাল

এ ক্ষত কে আমি বলি কাঙাল পাঁজর 


আমাকে সে আত্রেয়ী নদী বলে ডাকে


তার নৌকা উল্টে রাখে

পরাগ একত্র করে বন্ধু-বিকেল গড়ে তুলি


ধাক্কা প্রপাত নেমে আসে 

চিত হয়ে সাঁতার কাটে দিন


গলা পিচ, ফালি সাঁকো, কিছু কানাগলি এইটুকুই আশ্রয় আমার।। 


আমার‌ই অন্নভোগে ভরে থাকি, আমিই পৃথিবী।।

শস্যে শস্যে জেগে থাকে ক্ষয় 

সমস্ত ছোঁয়ার দিনে তুমুল গর্ভবোধ হয়।। 


তোরঙ্গে তুলে রাখি আশ্চর্য খোলস। 

কতশত দিন কেটে যায়, সেসব কী অপচয়?? 

অপচয় নয়?? 


##বিশ্লেষণ 


##((ভাঙা গড়া আশ্চর্য খোলসের আড়ালে আক্ষেপের দ্যোতনা ও প্রশ্নবোধক অস্তিত্ব নির্মাণের কৌশল)) 


৪.....অপেক্ষার ছায়া আছে, ঢলে পড়া ছায়া?? ঝাঁপিয়ে নেমেছে বৃষ্টি আর অপেক্ষা সেই বৃষ্টি তে মিশে গিয়ে নদীর তেষ্টার কাছে হলো নৌকো-বীজ।। 


এমন তীব্র দিনে এসব আকুল-বোধ বাঁচিয়ে রেখে ছলাৎছল অমৃত-তর্পণ


দ্যাখো ঘরদোর, ভাতের হাঁড়ি শুধু ফিরে আসা চাইছে।। 


আসলে ফিরে আসা একটা মিথ।। 

ফসল কাটার পর মাঠের সমাধির দিকে চেয়ে তোমার‌ও মনে হতে পারে দুয়ারখানি শিকল তোলা, মেঝেতে পা রাখলেই ধসে যেতে পারে অস্তিত্ব।। 


ঢেউ শিরায় শিরায় পৌঁছে যাচ্ছে, পালঙ্কে পৌঁছে যাচ্ছে।। 


তার‌ও তো বালির লোভ হয়, তার‌ও তো চাই ডুবে যাওয়া মাস্তুল, ঘোর।। 


##বিশ্লেষণ 


##(( ধ্বংসাত্মক অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত উদ্বিগ্নতার অস্তিত্বের কোলাহলে অপ্রত্যাশিত চাহিদা ফিরে আসা ছলাৎছল যেন এক অমৃত-তর্পণ কালাশৌচ))

পাকীজা কৌশিকী হ্যাংলা আলতা রাঙা চরণ## সুপ্রীতি বর্মন


 

পাকীজা কৌশিকী হ্যাংলা আলতা রাঙাচরণ


অঘোরতান্ত্রিক শোক চন্ডালিনী


ভূতচতুর্দশপদী 


সুপ্রীতি বর্মন




প্রত্নতাত্ত্বিক প্রথাগত বৈবাহিক বন্ধন এ আটকে পড়ে থাকা এক উদ্বিগ্ন কাছছাড়া মানসিক বৈকল্য এর স্বামী তার পরিণয়ে পাশে থাকা চন্ডালিনী কে খোঁজে অষ্টপ্রহর কৃষ্ণকলি তার স্বৈরাচারী হাহাকারে আলতা রাঙা পদশৃঙ্খলে স্বামীর বক্ষে রাত্রিকে অগস্ত্য তৃষ্ণা করে তোলে এই বিনিদ্র ঘনঘোর রজনী।।।।। এদিকে রাজকীয় অভিমানে স্বামীর বক্ষপিঞ্জরের কঙ্কালিতলায় চৌচির জরাজীর্ণ চাঁদ ক্রমশ ভুগে যেতে থাকে পুনরুদ্ধার করার সম্ভোগের সম্ভাবনায় তবুও স্বামী দিবারাত্রি মাথার দিব্যি দিয়ে নিজের পুরষ্টু কমন্ডুল গচ্ছিত রেখে তোমার একমাত্র সম্পত্তি করে তোমার কাছে আঁতুড়ঘরে।।।।।তার স্ত্রীয়াচারের শেকড় বাকড়ের নিয়মের শৃঙ্খলে রমণীয় আলতা রাঙা চরণে নুপূরের নিক্বণ শুনে যায় এক অঘোরতান্ত্রিক মায়াবনবিহারিণীর খোঁজে যাকে সে নিজের করে পেতে চায় তার খুব কাছে।।।।।। 

ওদিকে স্বামী সোহাগের উচ্ছন্নে মাটি থেকে অনেক দূরে আঁতুড়ঘরে লেগেছে খুশীর

হাট।।।।।স্বামী আদিত্যের তখন ছটফটানি ছায়া যে নেই পড়িমড়ি পাশে পাশে সাহচর্যে সাংসারিক কার্যে সবটাই ঘাড়ে মাথায় জগদ্দল পাথর একলা একার শ্মশান তবুও আলতা রাঙা চরণের ভ্রমিল কাঞ্চনকামিনীর কাঞ্চনজঙ্ঘায় নেই কোন বিষাদগ্রস্থ কাঙালিনী মেঘ যে অকালবর্ষণে ঝরতে চাইবে আমার হৃদমাঝারে আড়ালে আবডালে।।।।।।এক বন্ধ্যা উষর মরুপ্রান্তর জেগে উঠে তখন বুকের পাটায় আর শোক ও জরা কামড়াকামড়ি উলোপালি করে উলটপুরাণে আমাকে গার্হস্থ্য পাঠ শেখায় একলা থেকে যাবার।।।। ওদিকে যখন ভাবি সে চাইলেই তো আমাকে একবারটি থথেথাম পক্ষের উড়ানে কাছে ডেকে নিতে পারতো নিজের করে লাজলজ্জাত্রিশূল সংযম বিভ্রম ছেড়ে তাহলেই তো এই কৈমাছকাঁটাকীলক ছাল যন্ত্রণা ভোগ কিছুটা হলেও কমতো।।।।পরক্ষণেই তখন মনে প্রশ্ন জাগে আচ্ছা তার কী মনে প্রাণে তার এতোটুকু দয়ামায়া নেই নিজের স্বামীর প্রতি।।।।।। 

এই কী তবে সংসারের নিয়ম নিক্তিনিপাট্যনীতি নির্ধারণ শ্লোকপাঠ।।।।। 

কোথা থেকে এর উৎপত্তি আর কী হলো এর ঐরাবতের পায়ের তলায় চাপা পড়া ভারি ভারি প্রস্তরীভূত শাস্ত্রযোগ্য অন্তর্নিহিত অর্থ শুধু চলে আসছে আর চলতে থাকবে এমনটা  অভিজ্ঞানে চালিয়ে নিয়ে যেতে থাকা পরগাছা  ভ্রমে আপাদমস্তক উগরানোর যন্ত্রণা বহন।।।। 




সে কী সব মাথা চিবিয়ে খেয়ে বসে আছে জানুসন্ধি চিরে যেতে থেকে সে পৌরুষের ঔরস গেছে একেবারেই ভুলে যে আঁতুড়ঘরে তাকে একলা ছেড়ে আমার কী প্রাপ্তি হলো শুধু এক নতুন আগত প্রজন্ম গার্হস্থ্য আশ্রম এর এক পর্যায়ে কিন্তু তোমাকে কাছছাড়া রেখে দিবারাত্রি ঐকান্তিক মোহ এ পাগল হয়ে জরাগ্রস্ত জমাট বাঁধা রক্ততঞ্চনে তোমার রক্তজবা শুষে আমার প্রতীক্ষার কালঘামের ঊণকোটি চৌষট্টি স্বর্ণ‌আভা গলে গলে পড়ে আমার লিঙ্গ তোমাকে ছাড়া অধঃক্ষেপ এক অর্ধেক মনোমালিন্য এর হারাম গৃহকোণ।।। ‌‌

তোমার আলতা রাঙা চরণের নিক্বণের অঙ্গারে মল্লিকার নৃত্যনাটিকার তুমুল বর্ষণে জড়াজড়ি হরাহরি হলাহল ভাগে ভাগ রিক্ত কিংবা শূন্যতার হরণ।।।।।।তাই রিরংসায় তোমার চিবুকে যখন ছুঁয়ে দিতে চায় আমার অসীম দূরত্বের আগ্রহের উৎকন্ঠায় শুকিয়ে যাওয়া কাঠগ্রীবা ও উদ্বিগ্ন‌উৎকোচলালিত্যরমণওষ্ঠের সমর্পণ তোমার হৈচৈ আড়ম্বর অকালকুষ্মান্ড জরোয়ার অলংকৃত ঝুমকো তখন কেমন করে যেন ব্যর্থতার শ্রমভস্মের দাহপ্রপাতে ঝলসে উঠে যৌবনের ভ্রমরকৌটো যেখানে তোমাকে চিরকালের জন্য সংরক্ষণ করতে চায় বিধিবদ্ধ নিয়ম নীতি ত্যাগ করে।।।।। পুরুষালী বহ্নিশিখার অন্তর্দহনে যাতে শুধু জেগে থাকবে আমার পুরুষালি সৌষ্ঠব আগ্রহকান্তিরমণ ক্ষরণ ঘুমন্ত জাগরণ এক অলিক ভ্রমিল সুধা।।।। 

   কিন্তু দূরে দেখা যায় এক পাগল চন্ডালিনীর আক্রোশে হাড়হিমমজ্জামাটি সৌদামিনী যার কেলেঙ্কারির অভিযোগ এর নিক্বণে সংসারের ভিটেমাটির শিকড় উচ্ছেদ করে এক আত্মহত্যার প্ররোচনায় এগিয়ে যেতে থাকা দুটি দীর্ঘসূত্রী চরণের উপাখ্যান।।।।।

নয় তা নিছক কাকতালীয় কাকডাকা ভোর আমার স্বামীত্বের নাঙ্গা হাড়ে কাঁপন ঘটে যাওয়া অশনি সংকেত তখন টের পেয়েছি অর্ঘ্য তোমার স্ত্রী আচারের জ্বলন্ত কুসুমকুমারীর অকাল শ্রাবণ ক্ষুধার্ত শমন।।।।

যে তোমাকে সখী করে একদিন প্রাণপনে চেষ্টায় নিয়ে যেতে চেয়েছিল নিজের করে।।।। 

যেন দুটি আলতা রাঙা চরণ কাছছাড়া হয়ে চলে যেতে চায় সবকিছু তার আঁচলে জড়িয়ে জাপটে ধরে এক ভাস্কর্য এ রুদ্র প্রেমিকার ইন্দ্রপতনে কোন অলৌকিক দ্বৈরথে।।।।।।। মাঝামাঝি তখন ঝুলছে এক চ্যালাকাঠ আমার স্বামীত্বের সমীকরণের মাঝে অসমাপ্ত মিলন তবুও আজকের দিনে এই অর্গলহীন আনন্দে নেচে উঠতে গিয়েও অপারগ এক স্বামীর মন পিতৃত্বকে জ্যান্ত তর্পণে অপার্থিব জগতে দূরে ঠেলে দিয়ে শুধু তোমাকে নিজের করে কাছে পেতে চায় আরেকবার সব ভুলে।।।।।। 

কারণ এতোদিন ধরে ঐ আলতা রাঙা চরণ আমার কাছটি থেকে থাকবে অনেক দূরে এক গোপন আঁতুড়ঘর এর অন্ধকারে এই যাতনা যে আর সয় না।।।।।। 

স‌ইবো তা কেমন করে এক স্বামী হয়ে।।।





সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

কৌমার্য গীটার: সুপ্রীতি বর্মন


 

Editorial Note,,,,,,


কৌমার্য গীটার 


Picture Illustration,,,,, 


সুপ্রীতি বর্মন





(( এখন অনেক রাত তুমি বুকের ভিতর ফাটছো ধীরে ধীরে)) 




ব্যর্থ ক্রোধে যখন খোলা শার্টে উন্মুক্ত 

আমার পুরুষালি লোমশ বক্ষ

তখন তুমি কেমন করে ক্লান্ত চরণে 

সমর্পণ করে আঁকড়ে ধরো আমাকে

তোমার স্তন্যে যখন নগ্ন দুই ঠোঁটে কামড়াই শিশুর মতন

তখন উথলিয়ে উঠে দুধসমুদ্র

পাঁজর ভাঙা আঁকড়া দিনে যখন

রুগ্ন গান ছোবল মারতে চায় 

তখন তোমার নখের আঁচড় দুরন্ত অশ্বখুরে হাতড়ায় আমার পিঠের পরে 

নিতে চায় প্রশ্রয়

কাঠফাটা গর্ভিণী রমণী রোদ।।

গিটারের তার খুঁজে যাই পাগল হয়ে আমি

তোমার পিঠের চামরে

জংধরা বিবস্ত্র সেই তার তাই বাজাতে গিয়ে আমার শ্বাসরোধ গলা শুকিয়ে কাঠ।।

শীতলপাটি বুকে তোমার ঢলে পড়া সূর্যাস্তের কামড়ে দেওয়া নগ্নঠোঁটের শীৎকারে

আমার ব্যাঘ্রনখ আরো বেশী উদ্বিগ্ন হয়ে উৎকীর্ণ লিপি করতে চায় খামচে ধরে 

ঐ কাছিমের মতন তোমার উল্টানো পিঠে

সুর উঠে না গোধূলি জর্জর অসুখমোড়া রাতে

তাল যায় ছিন্নপত্রে গড়িয়ে।।

আমি বশ্যতা স্বীকারে অনীহায় থাকা এক সৈনিক রণক্ষেত্রে

আঁচড়াতে থাকি আর তত আমার নিঃসঙ্গ চোয়ালে পড়ে টান 

আমি অন্ধকারে হাতড়াই অমাবস্যার চাঁদ

তাই ছেঁড়া তাঁতে ঐ নগ্নকুম্ভীরকাঁখ কে আরো টেনে ধরি জাপটে খোলা বুকের কাছে

পতঝর সরসরাহট মেহেদি খচিত রাঙা দুটো হাতের উদগ্র কামনার ছোঁয়ায় 

আমার পাঁজরতলি ঘিরে নামে সন্ধ্যার কনসার্ট।।

আর পাঁজরগুলো আগুনে পুড়ে উচ্ছিষ্ট হাড়ে গজাতে থাকে তোমার ঐ দংশনে 

দামাল দন্তের স্বরলিপি 

দুমড়ে মুচড়ে জেগে উঠতে চায় প্রখর খরায় এক দরিয়ায় সম্ভোগের সুর

কিন্তু মাঝির বজ্রবিদ্যুৎ মুষ্টি তখন আঁকড়ে ধরে ভায়োলিন নিহত কৌমার্য আক্রান্ত রজনিতে।।

আমার বুকের হেম মোমদগ্ধ রাতে গলে যেতে থাকে আর তোমার নাভি নিম্নদেশে তখন গভীর অতীতের পিচ্ছিল খাদ

নীচে নামতে বড় ভয় ভয় লাগে যদি তোমাকে হারিয়ে ফেলি 

তাই অস্বীকার করা প্রত্যাখানের ঘ্যোৎ ঘ্যোৎ বুনো শুয়োরের গর্জন তোমাকে করতে চাই না একদম কাছছাড়া 

নখের আঁচড় ও দুরন্ত অসভ্যতা আরো চাগাড় দিয়ে ওঠে আমার পুরানো ক্ষুধা।।

শীর্ণ আমার শরীর গুটিয়ে যেন তখন খোলামেলা শার্টে তোমার স্তনদুগ্ধে মুখ গুঁজে পড়ে থাকা কোন শিশু 

চুষেই চলেছে দিনরাত্রি চোখ বুজে।। মণিকর্ণিকার ঘাটে বীর্যকল্লোলে তখন সপ্তম সুরের ঝংকারের ঝড় 

উথলিপাথালি আঁচড়ায় তোমার পিঠের পিয়ানোর রেশমি ফাঁসের বন্ধনী 

কন্ঠসংলগ্ন চোষক স্বরথলি অগাধ ভরাট মাংসল স্বরের উজান গাঙে অপভ্রংশ 

আলজিভে প্রখর তৃষ্ণায় তোমার সিঁথির সিঁদুর এর প্রশ্রয় শুধু আমিই দিতে চেয়েছি

যত‌ই উঠুক উন্মাদ জোয়ারের ঝড়।।

তবুও তোমার ঐ অজগরের রোষে অভিমানে আটকে থাকা 

কাঁকড়া চাঁদের জরোয়ার ঝুমকা আমার কন্ঠ আঁকড়ে ধরে থাকে 

তাই শ্বাস নিতে তখন খুব কষ্ট হয়

স্বর বের হয়না স্বরবর্ণ কোথায় অজ্ঞাতবাসে

শুধু মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে

তোমার শিকড়ের সঙ্গমে ক্লান্ত বিশ্রামে এক পরাজিত গায়ক।।

পরাধীন ভোরে আমি আর জাগতে চাই না

যখন দেখি ম্রিয়মাণ মোর ছায়া পথভ্রষ্ট 

নষ্ট আঁধারে মুখ গুঁজে কাঁদে

ঈশ্বরীর নৈবেদ্য থেকে সে সম্পূর্ণ রূপে পরিত্যক্ত অবহেলিত 

এই রাতেই সে আনতে চায় নগ্ন পাগলকরা জ্যোৎস্না।।




রতির কামদেবের পঞ্চবাণের সুর ললিত যাম

আমার বক্ষের উপোসি চিতা-বৈরী-বহ্নিবিষে 

যখন তোমার শরীর টলোমলো তালে ধুনুচি নৃত্যের ঘোরে ঊরুশোণিত কাঁপনে গড়িয়ে যায়

তখন আমার শীতল শোণিত শঙ্খশুভ্রহংসবৃন্তের ডাকে 

তোমাকে আলগা করে জড়িয়ে ধরে সামলাই নাভিমই কস্তুরীরমণমাঠে

আমাকে গ্রহণ করো তুমি 

তুমি আমার বুকের ভেতর ফাটছো ধীরে ধীরে।।

নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের অগ্নিমান্দ্য দুরন্ত ঝাঁপ

যতো উদ্বিগ্ন হয়ে সময়ের কাঁটার দীর্ঘায়িত সুকল্যাণ বাহু কামড়ে কামড়ে খাই

তত সেই অগ্নিশ্বাস ধুম্রলোচন ঘনঘটা 

স্বরের পাকচক্রে দলাইমালাই চালে সৃষ্টি করে নতুন স্বরলগ্ন 

আঁচড়ে আঁচড়ে পিঠের প্রান্তরে

নির্বাসনে জটাজুট জমাট শিলা ছিল 

এতকাল ধরে তোমার রাতজাগা চুলে

পিঠের উপর ছড়ানো উন্মুক্ত কেশরাশি মৃগতৃষ্ণা।।

আজ আমার আঙুলের ক্ষিপ্র চলনে কেশে অঙ্গুলিহেলনে জেগে উঠে মেঘমল্লার

নচ্ছার রোগের সুর ছিঁড়ে আনতে চায় 

তোমার মধুপ ক্লান্ত রণস্বামীকে 

যাতে সে নতুন করে ফেনায়িত দ্রাক্ষারসে 

শামোসেহের জাগাতে পারে নায়ি নবিলী কোই দুলহন কী সোহাগ রাত 

আঁখো কী শামসীর কী রাগ 

তিসরি মঞ্জিল

ত্রিযামার মঞ্জীর কঙ্কন কাঁপন।।




অনুপ্রেরণায় ছবি সৌজন্যে,,,,, 


((শুভায়ুর রহমান এর Facebook Story Line পোস্ট))